অনলাইন সংবাদপত্রের হালনাগাদ তালিকা নেই: তথ্যমন্ত্রী

দেশের অনলাইন সংবাদপত্রের হালনাগাদ কোনও তালিকা সরকারের কাছে নেই। তবে অনলাইন পত্রিকা হিসেবে নিবন্ধনের জন্য দুই হাজার ১৮টি আবেদন পাওয়া গেছে।

বললেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

হাসানুল হক ইনু বলেন, অনলাইন পত্রিকা নিবন্ধনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।

সংসদে তথ্যমন্ত্রী জানান, সারাদেশে এখন নিবন্ধিত পত্রিকার (প্রিন্ট মিডিয়া) সংখ্যা তিন হাজার ২৫টি। এর মধ্যে দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা এক হাজার ১৯১টি। এছাড়া, অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা তিনটি, সাপ্তাহিক পত্রিকা এক হাজার ১৭৫টি, পাক্ষিক ২১২টি, মাসিক ৪০৪টি, দ্বিমাসিক ৭টি, ত্রৈমাসিক ২৮টি, চতুর্মাসিক ১টি, ষান্মাসিক ২টি এবং বার্ষিক পত্রিকা ২টি। ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় ৪৭০টি দৈনিক পত্রিকা।

তথ্যমন্ত্রী জানান, এখন দেশে অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সংখ্যা ৪৫।

দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টেলিভিশন সাময়িক স্থগিত বিষয়ে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘টেলিভিশন দু’টির সম্প্রচার স্থগিত করে আমরা কারণ দর্শাতে বলেছিলাম। তাদের উত্তরে আমরা সন্তুষ্ট হইনি। আমরা পুরো বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখছি। লাইসেন্স বাতিল করব কিনা, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘কিছুদিন আগে ঢাকা শহরে হেফাজতে ইসলাম, তথা তেঁতুল হুজুরের নেতৃত্বে যখন ঢাকা শহর এবং বাংলাদেশ দখল করার চক্রান্ত চলছিল, ঢাকা শহরে আগুন লাগিয়ে সবকিছু পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, সেই সময় সরাসরি সম্প্রচারের নির্ধারিত নিয়ম ভেঙে এই দুই টিভি চ্যানেল উসকানি দিয়েছিল। অফিসে বসে আমরা তা দেখে তাৎক্ষণিকভাবে ওই উসকানি বন্ধ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বাধ্য হয়েছিলাম। এজন্য সেই দিনই সন্ধ্যার পরে তাদের সম্প্রচার সাময়িকভাবে স্থগিত করি। এখনও সেই অবস্থাতেই রয়েছে। আমরা বিবেচনা করব, এটা স্থগিত থাকবে নাকি তাদের লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *