ইলিশ উৎপাদন এ বছর ৫ লাখ টন ছাড়াবে

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, চলতি বছর ইলিশের উৎপাদন ৫ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে। দেশে উৎপাদিত মাছের প্রায় ১২ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে। জিডিপিতে ইলিশের অবদান এক শতাংশের বেশি। কাজেই একক প্রজাতি হিসেবে ইলিশের অবদান র্সবোচ্চ। ফলে মাত্র ৯ বছরের ব্যবধানে এ মাছের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৬৬ শতাংশ।

সোমবার সচিবালয়ে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন ছিল ২ লাখ ৯৮ হাজার টন। গত ৯ বছরে এর উৎপাদন প্রায় ৫ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। যার র্বতমান বাজারমূল্য প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা। সরকারের ব্যাপক উদ্যোগের ফলেই মৎস্যখাতে অভূতপূর্ব উন্নতি হওয়ায় দেশ মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পেরেছে। এক্ষেত্রে ইলিশমাছের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

মন্ত্রী বলেন, গত ৯ বছরে মাছের সার্বিক উৎপাদনও ২৭.০১ লাখ টন থেকে বেড়ে ৪১.৩৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। এটি ২০১৬-১৭ সালের উৎপাদন-লক্ষ্যমাত্রা ৪০.৫০ লাখ মেট্রিক টনের চেয়ে ৮৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি। তাই ২০১৭-১৮ সালে ইলিশের উৎপাদন যেমন ৫ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে তেমনই অন্য মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়ে ৪২.৭৭ লাখ টন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আইনানুগ কার্যক্রম শেষে জাতীয় মাছ ইলিশের ভৌগোলিক নিবন্ধন (জিআই সনদ) করেছে। ফলে বিশেষ গুণগত মানসম্পন্ন ইলিশ বাজারজাতকরণের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে বাণিজ্যিকসহ অন্যান্য সুবধিা পাওয়া যাবে। এছাড়া সরকার স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার প্রেক্ষিতে ইলিশের স্যুপ, নুডলস ও পাউডার তৈরির প্রযুক্তি আবিস্কার করে এরইমধ্যে তা বাজারজাত শুরু করেছে।

Leave a Reply