এক ম্যাচে ওয়েঙ্গারের এত প্রাপ্তি!

এমিরেটসের ফাঁকা গ্যালারি আর্সেন ওয়েঙ্গারের দীর্ঘশ্বাসের কারণ হলেও দিনশেষে আর্সেনাল সমর্থকদেরই বেশি আফসোস হওয়ার কথা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে দলের হ্যাটট্রিক হারে ক্ষুব্ধ যেসব সমর্থক রোববার মাঠে আসেননি, তারা নিজেদের দুর্ভাগা ভাবতেই পারেন।

ঘরের মাঠে মুস্তাফি, অবামেয়াং ও মিখিতারিয়ানের গোলে ওয়াটফোর্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে আর্সেনাল শুধু জয়ের ধারায়ই ফেরেনি, ঝড় তুলেছে রেকর্ডের পাতায়ও। এক ম্যাচে এত মাইলফলক ও কীর্তির দেখা মেলে খুব কমই।

গোল করা, করানো, ঠেকানো, জয়- সবকিছুই কোনো না কোনো মাইলফলকে দাগ কেটেছে। শুরু করা যাক গোল না খাওয়ার কীর্তি দিয়ে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ইতিহাসে প্রথম গোলকিপার হিসেবে ক্লিন শিটের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’ পূর্ণ করেছেন আর্সেনালের শেষপ্রহরী পিওৎর চেক।

চেলসি ও আর্সেনালের হয়ে প্রিমিয়ার লীগে এ নিয়ে ২০০ ম্যাচে পোস্ট অক্ষত রাখলেন ৩৫ বছর বয়সী চেক। ইংলিশ ফুটবলে এ কীর্তি নেই আর কারো। উপলক্ষটি আরও স্মরণীয় করে রেখেছেন একটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে দিয়ে। লীগে ২০১১ সালের পর এই প্রথম পেনাল্টি সেভ করলেন চেক।

দলের প্রথম গোলটি বানিয়ে দিয়ে প্রিমিয়ার লীগের ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন আর্সেনালের জার্মান প্লেমেকার মেসুত ওজিলও। তিনি গড়েছেন অ্যাসিস্টের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। প্রিমিয়িার লীগে ১৪১ ম্যাচে সতীর্থদের দিয়ে ৫০টি গোল করিয়েছেন ওজিল।

ভেঙেছেন এরিক কাঁতোয়ার রেকর্ড। অ্যাসিস্টের ফিফটি ছুঁতে ম্যানইউর ফরাসি কিংবদন্তির লেগেছিল ১৪৩ ম্যাচ। দল হিসেবে এদিন প্রিমিয়ার লীগে ঘরের মাঠে আর্সেনাল ছুঁয়েছে এক হাজার গোলের মাইলফলক। লীগে অন্তত ১০০০ হোম গোলের কীর্তি ছিল এতদিন শুধু ম্যানইউর।

ওয়েঙ্গারের জন্যও ম্যাচটি ছিল বিশেষ কিছু। আর্সেনালের কোচ হিসেবে তিনি পেয়েছেন ৭০০তম জয়। এক ম্যাচে এরচেয়ে বেশি আর কী পাওয়ার থাকতে পারে!

ওয়েবসাইট।

Leave a Reply