এসডিজি বাস্তবায়নে বিদেশি সাহায্যে নির্ভর না থাকার পরামর্শ অর্থমন্ত্রীর

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে বিদেশি সাহায্যের উপর নির্ভরশীল না থেকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার একটি হোটেলে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর ইফেকটিভ ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশনের স্টিয়ারিং কমিটির চতুর্দশ সভায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতি তিনি এ আহ্বান জানান

অর্থমন্ত্রী বলেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভালো করায় বাংলাদেশ বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারণেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কেবল বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজের দেশের সম্পদের ব্যবহারে উদ্যোগী হতে হবে।

মুহিত বলেন, আমাদের সীমিত অভিজ্ঞতা দিয়েও আমরা জানি, বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তির প্রক্রিয়া বেশ জটিল। সে কারণে বিভিন্ন দেশ নিজেদের সম্পদ দিয়ে বেশ ভালো কাজ করেছে। এমনকি তারা এমডিজির প্রত্যাশিত লক্ষ্যের চেয়েও বেশি অগ্রগতি দেখিয়েছে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, গতানুগতিকতার বাইরে এসে উদ্যোগী হতে হয়। নিজস্ব ইচ্ছাশক্তিকেও কাজে লাগাতে হবে।

কেনিয়ার নাইরোবিতে গ্লোবাল পার্টনারশিপের গত সভার প্রসঙ্গ টেনে মুহিত বলেন, আগের সভায় আমরা সহযোগিতার ক্ষেত্রে ছয়টি অগ্রাধিকার চিহ্নিত করেছিলাম। সেগুলোর অগ্রগতি এবার জানা যাবে।

সভায় জার্মানির ফেডারেল মিনিস্ট্রি অব ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের মহাপরিচালক দমিনিক শিলার বলেন, গ্লোবাল পার্টনার ও স্টিয়ারিং কমিটির মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্রে সমন্বয় তৈরি করার ক্ষেত্রে এই সভা ভূমিকা রাখবে। আমি চাইব, দেড় দিনের এ সভায় আমরা কেবল সারাংশে পড়ে না থেকে বিস্তারিত আলোচনার দিকে যাব।

উগান্ডার অর্থ, পরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হারুনা ক্যাসোলো কিয়েউন বলেন, এসডিজি উচ্চাকাঙ্ক্ষী, তা ঠিক। সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা অর্জনে আমাদের উদ্যোগ নেওয়ার সময় এসেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *