করের আওতায় অনলাইন ব্যবসা

ভার্চুয়াল লেনদেনকারী বিদেশি প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে অর্জিত আয়ের উপর যথাযথ কর পরিশোধ করতে হবে। এ লক্ষ্যে আয়কর আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধনের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। গুগল, ফেসবুক, ইউটিউবসহ সব ধরনের ভার্চুয়াল লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের উপর এটি প্রযোজ্য হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের উপর ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপেরও প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, বর্তমানে ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে পণ্য বা সেবার ক্রয়-বিক্রয় যথেষ্ট বেড়েছে। এ পণ্য বা সেবার পরিসরকে আরো বৃদ্ধি করার লক্ষে ভার্চ্যুয়াল বিজনেস নামে একটি সেবার সংজ্ঞা সৃষ্টি করা হয়েছে। এর ফলে অনলাইনভিত্তিক যেকোন পণ্য বা সেবার ক্রয়-বিক্রয় বা হস্তান্তরকে এ সেবার আওতাভুক্ত করা সম্ভব হবে। তাই ভার্চায়াল বিজনেস সেবার উপর ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করছি।
ভার্চুয়াল সেবার ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক ব্যাখ্যায় বলা হয়, যে কোন ধরণের নিজস্ব বিক্রয় বা ব্যবসা কেন্দ্র ছাড়া ইলেক্ট্রনিক নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে ইন্টারনেট, ওয়েব, সোশ্যাল মিডিয়া, বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনভিত্তিক প্লাটফর্ম বা এ ধরণের কোন মিডিয়া ব্যবহার করে কোন পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় বা হস্তান্তর এ সেবার আওতাভুক্ত। অবশ্য টেলিকম অপারেটরদের যে কোন ধরণের মোবাইল ভ্যালু অ্যাডেড সেবা এর অন্তভ‚ক্ত হবে না।
দীর্ঘদিন থেকেই বিভিন্ন পক্ষ এসব সেবাকে ভ্যাট-ট্যাক্সের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে আসছিল। সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের পক্ষ থেকেও এসব সেবার বিপরীতে ভ্যাট আদায়ের আহ্বান জানানো হয়েছিল। নোয়াবের পক্ষ থেকে বলা হয়, গুগল, ফেসবুক, ইউটিউবসহ এ ধরণের ভার্চুয়াল সেবার কারণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন অর্ধেক কমে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *