গাজায় হত্যার প্রতিবাদে ইসরায়েলি দূত বহিষ্কার করলো তুরস্ক

গাজায় ফিলিস্তিনিদের হত্যার প্রতিবাদে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্ত করেছে তুরস্ক। মঙ্গলবার তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর ওয়াশিংটন পোস্টের।

সোমবার গাজায় সীমান্ত বেড়া সংলগ্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় শিশুসহ অন্তত ৬০ জন নিহত হওয়ার পর বিশ্ব নেতৃত্ব যে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে এটিই সবচেয়ে কঠোর। গাজার কর্মকর্তারা বলছেন, ওই হামলায় দুই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

মুসলিম দেশ হওয়া সত্ত্বেও ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনীতিক সম্পর্ক রয়েছে তুরস্কের। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইসরায়েলের আচরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

এর আগে ২০১০ সালে ইসরায়েলি কমান্ডোরা তুরস্ক পরিচালিত একটি যাত্রীবাহী জাহাজ মাভি মারামারায় অভিযান চালায়। ওই ঘটনায় জাহাজে থাকা নয়জন অধিকার কর্মী নিহত হন। জাহাজটি গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে মানবিক সাহায্য সরবরাহের জন্য যাচ্ছিল।

এদিকে সোমবার হাজার হাজার তুর্কি ইস্তাম্বুলে বিক্ষোভ করেছে। এর আগে তুরস্কের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, গাজায় হামলার ঘটনায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের দূতকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান গাজায় ফিলিস্তিনিদের হত্যাকাণ্ডকে ‘একটি গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এ ঘটনায় ‘ইসরায়েলের ঘৃণ্য চেহারা ফুটে উঠেছে’ উল্লেখ করে এরদোয়ান বলেন, তারা এর আগেও গণহত্যা চালিয়েছে।

এর জবাবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু টুইটারে লিখেন, এরদোয়ান হামাসের অন্যতম বড় সমর্থক। আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তিনি সন্ত্রাসবাদ ও হত্যার কী তা ভালোভাবেই বোঝেন। আমি তাকে পরামর্শ দেবো যে, আমাদের নৈতিকতার কথা শোনাবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *