গুরুর আদেশে স্বামীর শয্যাসঙ্গিনী হবেন না স্ত্রী! এরপর কি হল জানেন?

গুরুর আদেশ৷ তাই স্বামীর শয্যাসঙ্গিনী হবেন না তিনি৷ অনেক পীড়াপিড়িতেও স্বামীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে রাজি না হওয়ায়, অবশেষে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের মামলা করলেন বছর ৩০-এর এক ব্যক্তি৷ সোমবার তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ মঞ্জুর করে বান্দ্রা আদালত৷

শুনানির সময় ওই তরুণী জানান, বিকৃত যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার দাবি জানাত তাঁর স্বামী৷ সে কারণেই স্বামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে চাননি তিনি৷ জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে বিয়ে হয় ওই দম্পতির৷ ওই ব্যক্তি তাঁর পিটিশনে জানান, বিয়ের রাতে স্ত্রীর আচরণে মুগ্ধ হয়েছিলেন তিনি৷ কারণ কন্ডোমের প্যাকেট নিয়ে এসেছিলেন তাঁর স্ত্রী৷কিন্তু চার মাস পর সেই স্ত্রীর আচরণেই হতবাক হয়ে যান৷ গুরুর পরামর্শ মেনে ঘনিষ্ঠ হতে আপত্তি জানান তাঁর স্ত্রী৷ এমকী আগামী পাঁচ বছর তিনি কোনও সন্তান চান না বলেও স্বামীকে সাফ জানিয়ে দেন৷ ওই তরুণীর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি নাকি স্বামীর ইমেল হ্যাক করে তাঁর বন্ধুদের কাছে আপত্তিকর বার্তা পাঠাতেন৷শ্বশুরবাড়ির লোকদনের সঙ্গেও নিত্য ঝগড়া অশান্তি করতেন তিনি৷

এদিন রায়দানের সময় বিচারপতি এসএ মোরে জানান, ‘‘স্বামীর সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত না হওয়ার কোনও জোরাল দাবি জানাতে পারেননি স্ত্রী৷ তাঁর আচরণ মানসিক নির্যাতন করার সামিল৷’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares