গোল্ডেন বল মদ্রিচ, বুট কেইন, গ্লাভস কোর্তোয়ার

তারুণ্য নির্ভর ফ্রান্সের শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটলো ২১তম বিশ্বকাপের। অসংখ্য রেকর্ড হয়েছে এবারের আসরে। কিছু স্থায়ীভাবে বসে গেছে রেকর্ড বুকে, বাকিগুলো হয়ত আগামীর কোনও একটি আসরে ভেঙে যাবে। ফুটবল মানেই রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলা। রেকর্ড হয়েছে বিশ্বকাপের ফাইনালেও। তাও একটি নয়, এই ম্যাচে একাধিক রেকর্ডের মুখ দেখেছে ফুটবল বিশ্ব।

আবার দেখা মিলবে বিশ্বকাপের। তবে তা চার বছর পর কাতারে। তত দিন পর্যন্ত ফুটবল বিশ্বের রাজত্ব থাকলো ফ্রান্সের কাছে।

ফাইনাল শুরুর আগে গ্রিজম্যান ও এমবাপে ৩ গোল করে কেইনের ৬ গোলকে স্পর্শ করার লক্ষ্যে ছিলেন। কিন্তু ফাইনালের মঞ্চে দুইজনেই মাত্র ১টি করে গোল করতে পারলে গোল্ডেন বুটটি নিজের করে নেন হ্যারি কেইন।

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেছিল হ্যারি কেইন। তার বাকি পাঁচটি গোলের তিনটিই এসেছে পানামার বিপক্ষে এবং অপর দুটি এসেছে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে। বিশ্বকাপে ৬ গোলের ভেতর তিনটিই করেছেন পেনাল্টি থেকে।

৬ গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার মাধ্যমে সাবেক ইংলিশ কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকারকে স্পর্শ করলেন কেইন। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে লিনেকার ৬ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন।

১৯৫৮ বিশ্বকাপে ১৩ গোল করে এখন পর্যন্ত এক টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা ফ্রান্সের জাস্ট ফন্তেইন। ১৯৫৪ বিশ্বকাপে ১১ গোল করে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন হাঙ্গেরির ককসিস। ১৯৭০ বিশ্বকাপে গার্ড মুলার করেছিলেন ১০ গোল।

অন্যদিকে গোল্ডেন বল পেয়েছেন ক্রোয়েশিয়া লুকা মদ্রিচ। দুর্দান্ত একটি ম্যাচ খেলেছেন মদ্রিচ।

উদীয়মান খেলোয়াড় হিসেবে ট্রফি পেয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে। আর গোল্ডেন গ্লাভস পেয়েছেন বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান জয়ী দল বেলজিয়ামের গোলরক্ষক কোর্তোয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *