চায়ের সঙ্গে মুড়ি! ওজনও কমবে, ব্লাড প্রেসারও থাকবে নিয়ন্ত্রণে

চায়ের সঙ্গে টা মানেই কি বিস্কুট? বিস্কুটের বদলে মুড়ি খান। মেদ কমায় মুড়ি।

বদলাতে হবে চায়ের সঙ্গে টায়ের সংজ্ঞা। মুড়ি খান। প্রচুর উপকার। এমনটাই বলছেন চিকিত্সকরা। (আরও পড়ুনঃ দুর্বা ঘাস বেটে ত্বকে লাগান, ঘামাচি, ফুসকুড়ি নিমেষে উধাও)

কম ক্যালরির পেট ভরানোর খাবার মানেই মুড়ি। যাঁদের বার বার খিদে পায়, অথচ সারাদিনে বেশিরভাগ সময়ে অফিসে বা বাড়িতে বসে কাজ করার জন্য শরীরে ক্যালরির চাহিদা কম, তাঁদের জন্য লাঞ্চ ও ডিনারের মাঝখানে বিকেল বা সন্ধের দিকে মুড়ি হতে পারে আদর্শ খাবার।

১ কাপ অর্থাত্‍ ১৪ গ্রাম মুড়িতে রয়েছে ৫৬ ক্যালরি। কার্বোহাইড্রেটস ১২.৬ গ্রাম, প্রোটিন ১ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ০.১ গ্রাম, ফাইবার ০.২ গ্রাম, পটাসিয়াম ১৬ মিলিগ্রাম, আয়রন ৪.৪৪ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৪ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৪ মিলিগ্রাম, থিয়ামাইন ০.৩৬ মিলিগ্রাম এবং নিয়াসিন ৪.৯৪ মিলিগ্রাম।

 

ওজন কমাতে সাহায্য করে মুড়ি।

সোডিয়ামের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারণে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করে।

অনেকটা জল টেনে নেয় বলে পেট ভরে থাকে দীর্ঘক্ষণ।

পেটের গোলমালে শুকনো মুড়ি বা জলে ভেজা মুড়ি খেলে উপকার।

ভিটামিন B ও মিনারেল প্রচুর পরিমাণে থাকার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমায়।

সকাল-সন্ধে চায়ের সঙ্গে বিস্কুট নয়, মুটিয়ে যেতে না চাইলে আরও বেশি মুড়ি খান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares