তেহরানের জন্য এটা শেষ সুযোগ: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, পরমাণু ইস্যুতে তিনি শেষবারের মতো ইরানকে ছাড় দিচ্ছেন। তার ভাষায় ইউরোপ ও আমেরিকা যাতে ওই পরমাণু চুক্তির ‘মারাত্মক ত্রুটিগুলো’ শুধরে নিতে পারেন এজন্য তিনি তেহরানকে সময় দিচ্ছেন। খবর বিবিসির।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ সংক্রান্ত দলিলে সই করার পর তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরো ১২০ দিনের জন্য শিথিল থাকবে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এটা তাদের শেষ সুযোগ। ওই বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, যদি কোনো সময় আমার মনে হয় সেরকম কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো অসম্ভব তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাবো। নিষেধাজ্ঞা স্থগিত রাখার দিনেও আলাদাভাবে ইরানের ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন তিনি।

ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ রুখতে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ইউরোপের দেশগুলোর সম্মতি আদায়ের চেষ্টা করছে হোয়াইট হাউজ। আগামী ২০২৫ সালে তেহরানের সঙ্গে ছয় জাতির ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ অভিযোগ করেছেন, এটি ‘সলিড’ একটি চুক্তিকে খাটো করার ‘মরিয়া চেষ্টা’।

এদিকে জার্মানি বলছে, তারা এই চুক্তির বাস্তবায়নে তেহরানে সঙ্গে কাজ করে যাবে। একইসঙ্গে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকেও একটি ‘অভিন্ন লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে’ পরামর্শ দেবে দেশটি।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চান, বিশ্ব ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়েও কিছু একটা করুক।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া, জার্মানি ও ফ্রান্সের কাছে ইউরেনেয়িাম প্রকল্প সীমিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরান। চুক্তি অনুযায়ী ১২০ দিন পরপর অবরোধ শিথিল অনুমোদনে বাধ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে ট্রাম্প বলছেন, বারাক ওবামার সময়ে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি ‘সবচেয়ে খারাপ’।

Leave a Reply