দুই যুবলীগ নেতা হত্যা: সাবেক এমপি রানার মুক্তিতে বাধা কাটল

যুবলীগের দুই নেতা হত্যা মামলায় টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

সোমবার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রানার অন্যতম আইনজীবী আতাউল গণি।

এর আগে আমানুর রহমান খান রানাকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন ১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২১ জুন এ আদেশ দেন বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান।

২০১২ সালের ১৬ জুলাই টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা শামীম ও মামুন মোটরসাইকেলে করে টাঙ্গাইল শহরে গিয়ে নিখোঁজ হলে পর দিন শামীমের মা আছিয়া খাতুন টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ওই ঘটনায় ২০১৩ সালের ৯ জুলাই নিখোঁজ মামুনের বাবা টাঙ্গাইল আদালতে হত্যা মামলা করলে তদন্ত করে ওই বছরের ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি তালিকাভুক্ত করে পুলিশ। পরে এ মামলায় গ্রেফতার খন্দকার জাহিদ, শাহাদত হোসেন ও হিরন মিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুন হত্যায় রানার নাম উঠে আসে।

গ্রেফতারকৃতরা আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে বলেন, রানার নির্দেশেই যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুনকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়। বিচারিক আদালত গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় রানার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করলে তার আইনজীবীরা হাইকোর্টে আসেন।