‘দুপুর ঠাকুরপো’ দেখে স্বস্তিকার মেয়ে যা বললো..

ঝড়ের আগাম বার্তা এসেছিল পুজোর সময়েই। ‘হয়ে যাক’, ‘হয়ে যাক’ বলে যেভাবে হৈ চৈ শুরু হয়েছিল, তাতে এমন কাণ্ড না ঘটা ছাড়া আর উপায়ই বা কী ছিল! ‘দুপুর ঠাকুরপো’ ঘুম কেড়েছে টিনেজের। ইতিউতি অ্যাপ খুলে ‘ঝুঁকি’ নিচ্ছেন ‘বুড়ো’রাও। সিরিয়ালে মুখ গুঁজে থাকা বাঙালি টেস্ট বদলে হাঁ করে গিলছে ‘এ মার্কা’ বৌদিকে। ‘দুপুর ঠাকুরপো’র ‘উমা বৌদি’র থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখাটা যে বিরিয়ানির গন্ধ শুঁকে স্বাদ না নিয়ে চলে যাওয়ার মতো সেটা বুঝেছে ১৮ থেকে ৮০। ফলে, টিআরপি হাই। আসছে মুড়িমুড়কির মত কমেন্টও। বাচ্চা থেকে বুড়ো, উচ্ছ্বাস আর অতি উৎসাহের ফুলঝুরিতে আলোকিত হয়ে উঠছে ‘বৌদি’র ফেসবুক পেজ। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে কেউ বলছেন, আমার সঙ্গে ডেটে চলো, কারোও আবার আবদারটা আরও একটু বেশি। তবে স্বস্তিকার জন্য এখনও পর্যন্ত ‘বেস্ট কমেন্ট’ এসেছে তাঁর মেয়ে অন্বেষার থেকেই। ‘দুপুর ঠাকুরপো’ দেখে ১৭ প্লাস অন্বেষার মন্তব্য, “মা, (স্বস্তিকা) তোমরা বড় হয়ে উঠেছ।”

সম্প্রতি টেলিচক্কর ডট কমের এক সাক্ষাৎকারে ‘অ্যাডাল্ট কমেডি স্ট্রিপ’ দুপুর ঠাকুরপো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। অভিনয়ের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলায় ওয়েব সিরিজ, সব নিয়েই সোজাসাপটা উত্তর দিয়েছেন টলিউডের বোল্ড ক্যুইন। এই সাক্ষাৎকারেই তিনি মেয়ে অন্বেষার মন্তব্যের কথা বলেন। একই সঙ্গে দুপুর ঠাকুরপো নিয়ে উদার ভাবনা চিন্তার কথাও ব্যক্ত করেন স্বস্তিকা। মেয়েকে যদি বলেন দুপুর ঠাকুরপো ‘অ্যাডাল্ট ফিল্ম’, ও তাহলে হাসবে। যেখানে সবাই গেম অব থ্রোনস দেখছে, সেখানে এটুকু করেই অ্যাডাল্ট ফিল্ম বলছ? স্বস্তিকাকে নাকি এই প্রশ্নই করেবেন অন্বেষা। মেয়ের কাছে এটা আকটা কমেডি ছাড়া আর কিছুই নয়, এমন কথাও বলেছেন তিনি।

তবে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, দুপুর ঠাকুরপো-তে নিজের চরিত্র নিয়ে বলতে গিয়ে স্বস্তিকা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়েছেন, “আমি ছাড়া আর কেউই এই চরিত্রটার প্রতি সুবিচার করতে পারত না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares