প্রতি কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়েন সম্ভব হবে না

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। বিগত নির্বাচনে সেনা মোতায়েন ছিল। এবারও অতীতের সেনা মোতায়েনের ফলাফল বিশ্নেষণ করে সেনাবাহিনীকে কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সেটা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হবে। সেই আলোচনা এখনও হয়নি। তবে প্রতিটি কেন্দ্রে সেনা মোতায়েন করা সম্ভব হবে না।

শুক্রবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ময়মনসিংহের রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনীকে এমন স্থানে রাখা হবে, যেখানে তাদের উপস্থিতির দরকার হবে। সেখান থেকে ২০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারবে। এতে সেনাবাহিনীর পার্টিসিপেশন আগের চেয়েও বাস্তবসম্মত হবে এবং জনগণের প্রত্যাশা বা আস্থা অর্জনে সক্ষম হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন তো একধাপ পেছানো হয়েছে। আর পেছানো সম্ভব হবে না। কারণ ১১ বা ১২ জানুয়ারি বিশ্ব ইজতেমা দু’ধাপে শুরু হবে। বাস্তবতা বিবেচনা করে তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ৩০ ডিসেম্বরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এটাই নির্বাচন কমিশনের ফাইনাল ডিসিশন।

অবাধ নির্বাচনের ব্যাপারে আশাবাদী নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে সমগ্র জাতির প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হবে।

মতবিনিময় সভায় ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার মাহমুদ হাসান, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন, র্যা ব ও বিজিবি প্রতিনিধিসহ জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার নির্বাচনের পরিবেশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।