বাহারি পোশাকে ঈদ শপিং জমে উঠেছে

ইতোমধ্যে ঘোষণা হয়েছে আগামী ৫ জুন পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদকে ঘিরে আরো আগেই শুরু হয়েছে কেনাকাটা। এখন ঈদের যে কটাদিন বাকি আছে তাতে ছোট বড় সবাই বাহারি পোশাক কিনতে হচ্ছেন শপিংমুখী। আর শপিং সেন্টারগুলোতে এসে কিনছেন পছন্দের পোশাক। বেচাকেনা ভালো হওয়ায় হাসি ফুটেছে বিক্রেতাদের মুখেও।

রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্ক ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন। স্বাচ্ছন্দ্যে পছন্দের প্রিয় পোশাক কিনে বাড়ি ফিরছেন। পোশাক, প্রসাধনী, জুতা, অলঙ্কার, পারফিউম কোনো বিক্রেতারই দম ফেলার ফুরসত নেই। সবাই ব্যস্ত বেচাকেনায়। এক ছাদের নিচে সবকিছু পাওয়া যায় বলে শপিংমলগুলোতেই ভিড় করেন সবাই।

ব্র্যান্ডের শোরুমগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, ছেলেদের পাঞ্জাবির পাশাপাশি মেয়েদের থ্রি-পিস, বাচ্চাদের ফ্রকসহ বাহারি রঙের পোশাকের সমারোহ। বেসরকারি চাকরিজীবী হুমায়রা আক্তার বলেন, এক ছাদের নিচে প্রয়োজনীয় সব পাওয়া যাচ্ছে। দামও ক্রয়ক্ষমতার ভেতরে। বিভিন্ন বাহারি কালেকশন রয়েছে। স্বামীর জন্য পাঞ্জাবি আর বাবুর জন্য ড্রেস কেনা হলো।

তবে দাম বেশি কি না এ বিষয়ে তিনি বলেন, কিছুটা বেশি। তবে, ভালো পোশাকের দাম তো বেশি হবেই। বেচাকেনা প্রসঙ্গে লা রিভের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জামাল হোসেন বলেন, আশানুরূপ ভালো। আমাদের ভালো বেচাবিক্রি হচ্ছে। সামনে আরো ভালো বেচাকেনা হবে। ক্রেতাদের কাছে আমাদের বেশ সাড়া পড়েছে।

জামাল হোসেন আরো বলেন, এবার আমাদের ডিজাইনের থিমগুলো বেশ তথ্যবহুল। আমরা ক্রেতাদের মনোযোগ বেশ ভালো পাচ্ছি। নিজস্ব ডিজাইনার দিয়ে আমাদের বাহারি পোশাকগুলো বানানো হয়েছে।

ক্রেতাদের আনাগোনায় ভরপুর আড়ং। ছোট বড় সবার পোশাক এক জায়গাতে এমনকি পরিবারের অন্যান্য সবকিছুও মিলছে। আড়ংয়ের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মিতা বলেন, আমরা যা আশা করেছিলাম তার চেয়ে বিক্রি অনেক ভালো। ক্রেতাদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি।

চাকরিজীবী রাশেদুল হাসান বলেন, ঈদ সামনে। সেজন্য শপিং করতে চলে এলাম। আড়ংয়ে সবকিছু পাওয়া যায়। দাম একটু বেশি তবে পণ্যগুলো ভালো।

এদিকে, ইজি, এসটাসি, কে ক্রাফট, রং, ক্যাটস আই, জেন্টল পার্ক, ফ্রিল্যান্ড, ইয়েলো, রেড, প্লাস পয়েন্টসহ সব ব্র্যান্ড শপগুলো নিজস্ব বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে। শোরুমগুলোতে পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্ট, ফতুয়া, জুতা, জামা, শাড়ি, থ্রি-পিস, কুর্তা, টপস, ওয়েস্টার্ন টপস, কসমেটিকস ও চুড়ি কিনতে আসা ক্রেতাদের ব্যস্ততা দেখা গেছে।