বাড়ি বদলের পাঁচ টিপস

সহজে বলা যায়, বাড়ি বদল সহজ ব্যাপার নয়। বাড়ি বদল শুধুমাত্র আসবাবপত্রের নড়াচড়া নয়। বরং মানসিক ও শারীরিক বিষয়ও। তবে আগের তুলনায় একটা ঝামেলা কমেছে। এখন চাইলেই মালামাল বহনের দায়িত্ব কোনো একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে দিতে পারেন। বিদায় যাতে সুন্দর মতো হয় সেজন্য কিছু পরিকল্পনা নিতে পারেন। তেমন পাঁচটি টিপস দেয়া হলো-

সব কাজের তালিকা করুন : সময় নিয়ে একটি তালিকা ও কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করুন। এতে দরকারি সব কিছু লিখে রাখুন। সংবাদপত্রের বিল থেকে প্রতিবেশির কাছ থেকে বিদায় সবকিছু এতে রাখতে পারেন। কোনো কিছু মনে রাখার চেয়ে লিখে রাখা সহজ ও কার্যকরী। এই ধরনের তালিকা আপনাকে দিতে পারে নিজের কাজ ও দায়িত্ব সম্পর্কে দারুন আত্মবিশ্বাস।

সময় নিয়ে কাজ করুন : বাড়ি বদলের ক্ষেত্রে যত বেশি সময় পাওয়া যায় ততো ভালো। মাসের শেষ দিকে তাড়াহুড়া করার চেয়ে ধীরে ধীরে জিনিসপত্র স্থানান্তর করা উত্তম। এটা শুধুমাত্র আপনার আসবাবকে মন মতো সাজানোয় সাহায্য করে এমন নয়, বরং মানসিকভাবে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। তবে সাধারণত নতুন তৈরি হওয়া বাড়ি ছাড়া এভাবে ধীরে-সুস্থে কাজ করা যায় না। সেক্ষেত্রে মানিয়ে নেয়ার জন্য মানসিকভাবে তৈরি হোন। নতুন বাসার সুবিধা নিয়ে ভাবুন। নতুন বাড়ি কীভাবে সাজাবেন তার পরিকল্পনা এগিয়ে রাখুন।

বাচ্চাদের সাথে আলোচনা করুন : একদম নতুন এলাকা বা দূরবর্তী কোথাও বাসা নেয়া বাচ্চাদের জন্য কষ্টকর। এতে তারা বন্ধু ও খেলার সাথী হারায়। এজন্য মন খারাপ থাকতে পারে। তাদেরকে পরিবর্তনের ভালো দিক ও সুবিধাগুলো বুঝিয়ে বলুন। বন্ধুর ফোন নাম্বার ও ইমেল আইডি জেনে নিতে বলুন। নতুন স্কুল ও বন্ধুদের নিয়ে গল্প করুন। প্যাকিংয়ে তাদের সাহায্য নিতে পারেন, এতে তারা অনেক কিছু ভুলে থাকতে পারবে। তাছাড়া এটি মানিয়ে নেয়ার জন্য সহায়ক।

সাবধানতার সাথে প্যাকিং করুন : সাবধানতার সাথে জিনিসপত্র গোছান। এলোমেলোভাবে না গুছিয়ে পরিকল্পনা মতো গোছান, যাতে নতুন বাড়ি সাজানোর কাজ সোজা হয়। সহজে ভেঙ্গে যায়, এমন জিনিস সাবধানতার সঙ্গে প্যাকিং করুন। আপনার পছন্দের বা মূল্যবান সামগ্রী যে গাড়িতে যাচ্ছেন তাতেই রাখুন।

ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখুন : হতে পারে প্রিয় কোনো স্থান ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তার মানে এই নয় নতুন জায়গা ভালো লাগবে না। সব জায়গাই ভালো লাগার মতো কিছু না কিছু থাকে। তাই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন। কোনো কিছু মূল্যায়নে ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখুন। এমন মনোভাব সমস্যা সমাধানের জন্য বেশ ফলদায়ক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *