বিমানবাহিনীতে যুক্ত হচ্ছে নতুন দুই ঘাঁটি

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে নতুন দুটি বিমানঘাঁটি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘বরিশাল ও সিলেটে নতুন দুটি বিমানঘাঁটি স্থাপনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। আমার বিশ্বাস, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী আরও শক্তিশালী হবে এবং বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বাড়বে।’

প্রধানমন্ত্রী আজ রোববার দুপুরে যশোরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একাডেমি প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ৭৪ তম বাফা কোর্স ও ডিরেক্ট এন্ট্রি ২০১৭ কোর্সের কমিশন উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ-২০১৭ (শীতকালীন) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

৭৪তম বাফা কোর্সের ৬৮ জন ফ্লাইট ক্যাডেট এবং ডিরেক্ট এন্ট্রি ২০১৭ কোর্সের ১১ জনসহ মোট ৭৯ জন কমিশন লাভ করেছেন। এঁদের মধ্যে ১৩ জন নারী ক্যাডেটও কমিশন লাভ করেন।

বাসসের খবরে বলা হয়, সম্প্রতি বিমানবাহিনীতে সংযোজিত কে-এইট ডব্লিউ জেট ট্রেনার, ওয়াই এ কে-১৩০ কমব্যাট ট্রেনার এবং এল-৪১০ ট্রান্সপোর্ট ট্রেনার এই বাহিনীর উড্ডয়ন প্রশিক্ষণকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করেছে বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনীর পাসিং আউট ক্যাডেটদের মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং একটি খোলা জিপে করে প্যারেড পরিদর্শন করেন। তিনি অনুষ্ঠানে ক্যাডেটদের মধ্যে ট্রফি, সার্টিফিকেট এবং ফ্লাইং ব্যাজ বিতরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বিমানবাহিনী ক্যাডেটদের দেশ ও জাতির আকাঙ্ক্ষা পূরণে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বিমানবাহিনী একাডেমি থেকে যে মৌলিক প্রশিক্ষণ তোমরা গ্রহণ করেছ, কর্মজীবনে তার যথাযথ অনুশীলন ও প্রয়োগের জন্য সব সময় সচেষ্ট থাকবে। সততা, একাগ্রতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তোমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে।’
তিনি বলেন, ‘তোমরা নিজেদের এমনভাবে গড়ে তুলবে, যাতে তোমরা দেশ ও জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারো।’

কমিশনপ্রাপ্ত ক্যাডেটদের মধ্যে ফ্লাইট ক্যাডেট মির্জা মো. জুবায়ের হোসেন ৭৪তম ফ্লাইট ক্যাডেট কোর্সের সেরা চৌকসের কৃতিত্বের জন্য ‘সোর্ড অব অনার’ এবং উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের জন্য ‘বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ট্রফি’ লাভ করেন।

সার্ভিস প্রশিক্ষণ কৃতিত্বের জন্য ফ্লাইট ক্যাডেট শাহরিয়ার তানজীম ‘কমান্ড্যান্টস ট্রফি’ পেয়েছেন। গ্রাউন্ড ব্রাঞ্চে সেরা কৃতিত্বর জন্য ফ্লাইট এস এম শহীদুল ইসলাম ‘বিমানবাহিনী প্রধান ট্রফি’ লাভ করেন।

Leave a Reply