বিশ্বকাপ জিততে ‘প্রধানমন্ত্রী’ ইমরানের মন্ত্র

বর্তমানে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, তেহরিক ই ইনসাফের পক্ষে নির্বাচনে জিতে বসেছেন দেশের সংসদের সর্বোচ্চ আসনে। কিন্তু তাই বলে তো আর অতীত-ইতিহাস ভুলে যেতে পারেন না!

পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাস জানাচ্ছে রাজনীতির মাঠে আসার আগে ক্রিকেট মাঠের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন ইমরান খান। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে এশিয়ার দ্বিতীয় দেশ হিসেবে পাকিস্তানকে জিতিয়েছিলেন ক্রিকেটের সর্বোচ্চ শিরোপা।

তাই তো এখন ক্রিকেট থেকে বেশ দূরে থাকলেও ভুলতে পারেন না ক্রিকেটের টান। সুযোগ পেলেই চেষ্টা করেন প্রিয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে সময় কাটানোর। তেমনই এক সুযোগ তিনি পেয়ে গেলেন শুক্রবার, পাকিস্তানের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলার সুযোগ।

গত বৃহস্পতিবার আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। একদিন পরই সে স্কোয়াডে খেলোয়াড়রা চলে গেছেন প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক অধিনায়ক ইমরান খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে।

যেখানে দলের পক্ষ থেকে অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ একটি স্মারক ক্রিকেট ব্যাট এবং বিশ্বকাপের জার্সি উপহার দেন ইমরানকে। এ সময় নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সরফরয়াজসহ পুরো দলকে নানান পরামর্শ দেন ইমরান।

প্রথমেই দলের অধিনায়ক সরফরাজকে জানান ‘উদাহরণ’ তৈরি করে দলকে নেতৃত্ব দেয়ার কথা। ইমরান বলেন, ‘তুমি এই দলের নেতা, পুরো দলটা তোমার দিক নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকে। যখন একজন নেতা পারফর্ম করে এবং দলের জন্য প্যাশন দেখায়, তখন দলের খেলোয়াড়রাও ঠিক একই কাজ করে।’

প্রায় এক ঘণ্টার এ দীর্ঘ সাক্ষাতে বিশ্বকাপ বিষয়ক নানান কথাই বলেছেন ইমরান। যার সবগুলো আসেনি গণমাধ্যমে। তবে ইমরানের এক মুখপাত্রের ভাষ্যনুযায়ী ইমরান বলেন, ‘একজন চ্যাম্পিয়ন মাঠে নামার আগে নিজের অস্ত্র এবং পরিকল্পনা সব নিখুঁত করেই নামে। জিততে হলে টিম স্পিরিট সবার আগে দরকার।’

ইমরান আরও বলেন, ‘তোমাদের স্কিল, খেলোয়াড়ি স্পিরিট এবং আচরণের মাধ্যমে পাকিস্তানের জন্য সম্মান বয়ে আনার চেষ্টা করো। সারা দেশের মানুষের দোয়া থাকবে তোমাদের সঙ্গে। দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা অনেক বড় সম্মানের কাজ। বিশ্বকাপে তোমরাই পাকিস্তানের পতাকাবাহক এবং মানুষের আশা-ভরসা থাকবে তোমার প্রতিই।’