ব্যারিস্টার মইনুলকে কারাগারে প্রথম শ্রেণির মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে কারাগারে প্রথম শ্রেণির বন্দির সুবিধা দিতে কারা কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে মইনুল হোসেনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ড. কামাল হোসেন ও খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে কটূক্তির ঘটনায় গ্রেফতার ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে ২৩ অক্টোবর আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এরপর থেকেই কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন তিনি।

গত ১৬ অক্টোবর একাত্তর টেলিভিশনের টক শো ‘একাত্তরের জার্নাল’ এ ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি প্রশ্ন করেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে আপনি যে হিসেবে উপস্থিত থাকেন- আপনি বলেছেন আপনি নাগরিক হিসেবে উপস্থিত থাকেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই বলছেন, আপনি জামায়াতের প্রতিনিধি হয়ে সেখানে উপস্থিত থাকেন।’

মাসুদা ভাট্টির এই প্রশ্নে রেগে গিয়ে মইনুল হোসেন বলেন, ‘আপনার দুঃসাহসের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। আপনি চরিত্রহীন বলে আমি মনে করতে চাই। আমার সঙ্গে জামায়াতের কানেকশনের কোনো প্রশ্নই নেই। আপনি যে প্রশ্ন করেছেন তা আমার জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর।’

এ ঘটনার পর ব্যারিস্টার মইনুলের বিরুদ্ধে ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে একটি মানহানির মামলা করেন মাসুদা ভাট্টি। একই অভিযোগ এনে জামালপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আরেকটি মামলা হয়। এছাড়া রংপুরসহ দেশের কয়েকটি জেলাতেও ব্যারিস্টার মইনুলের বিরুদ্ধে মামলা হয়।