রাঙামাটিতে দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সংস্কারপন্থি অংশ থেকে বেরিয়ে কয়েক মাস আগে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট- ইউপিডিএফে যোগ দেওয়া দুই কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার মহালছড়ির সীমান্তবর্তী রামসুপারি পাড়া এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহত আকর্ষণ চাকমা (৪২) ওই এলাকার যুদ্ধ মোহন চাকমার ছেলে। আর শ্যামল কান্তি চাকমা সুমন্ত (৩০) স্থানীয় আদরি পেদা চাকমার ছেলে।

রাতে একদল লোক ওই দুই ইউপিডিএফ কর্মীর বাড়ি গিয়ে তাদের গুলি করে হত্যা করে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পেরেছে পুলিশ।

নানিয়ারচর থানার ওসি আব্দুল লতিফ বলেন, “রামসুপারি পাড়ায় দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যার খবর পেয়ে আমরা ফোর্স পাঠিয়েছি। লাশ এখনও সেখানেই আছে। আমাদের পৌঁছাতে সময় লাগবে; ফিরে এসে বিস্তারিত জানাতে পারব।”

ইউপিডিএফের প্রচার বিভাগের প্রধান নিরন চাকমা বলেন, কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে সে বিষয়ে এখনই কিছু বলতে পারছেন না তারা।

তবে সংগঠনটির একাধিক নেতা বলেছেন, এ হত্যাকাণ্ডের জন্য তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেই (এমএন লারমা) সন্দেহ করছেন।

আকর্ষণ চাকমা ও শ্যামল কান্তি চাকমা এক সময় জনসংহতি সমিতির ওই সংস্কারপন্থি অংশে থাকলেও কয়েক মাস আগে দলত্যাগ করে ইউপিডিএফে যোগ দেন। রামসুপারি পাড়া এলাকায় তারা সংগঠনের ‘কালেক্টর’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য।

অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) মুখপাত্র প্রশান্ত চাকমা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এর সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটা ইউপিডিএফের অভ্যন্তরীণ কোন্দল হতে পারে।”

Leave a Reply