রাবিতে ছদ্মবেশে ছাত্র হলের কক্ষে ছাত্রীর অবস্থান!

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্রদের আবাসিক হলের কক্ষ থেকে এক ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে এক ছাত্রীকে নিয়ে যান ওই হলের একজন আবাসিক শিক্ষার্থী। পরে রাত সাড়ে ১০টায় হলের শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জানতে পেরে তাদের আটক করে। গার্ডদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ছদ্মবেশে ছাত্র হলের কক্ষে ওই ছাত্রী প্রবেশ করেছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রী তার বন্ধুর সঙ্গে হলের ১১৮ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছিলেন। হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদের হলের গার্ডদের কাছে হস্তান্তর করেন। পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। তবে অভিযুক্তদের দাবি, তারা বিয়ে করেছেন।

অভিযুক্ত উভয়ই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী।

হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ওই ছাত্রের সঙ্গে একজন ছাত্রী ছেলের ছদ্মবেশ ধরে হল গেটে কর্তব্যরত গার্ডদের চোখ ফাঁকি দিয়ে হলে প্রবেশ করেন। ওই ছাত্রী হলে প্রবেশের সময় তার হাটাচলা দেখে একাধিক শিক্ষার্থীর সন্দেহ হয়। তারা ওই ছাত্রের কক্ষের আশে পাশে অবস্থান করছিলেন। ওই কক্ষের ভেতর থেকে মেয়ের কণ্ঠ শুনতে পাওয়ায় রাত সাড়ে ১০ টার দিকে শিক্ষার্থীরা দরজা খুলতে বলেন। কক্ষের দরজা খুললে ভেতরে ওই ছাত্রীকে দেখতে পান। শিক্ষার্থীরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে হলের গার্ডদের কাছে হস্তান্তর করেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারা বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেন। পরে রাত ১১ টার দিকে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

অভিযুক্ত ছাত্রের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা গতকাল (মঙ্গলবার) বিয়ে করেছি। রাতের ট্রেনে ঢাকা যেতে চেয়েছিলাম। তাই হলের রুমে ব্যাগ নিতে এসেছিলাম। আমার রুমে আমার স্ত্রীকেও নিয়ে এসেছিলাম। সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট আমরা কক্ষে অবস্থান করেছি।’

জানতে চাইলে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। এখন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। ছুটি শেষে খুললে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।’

Leave a Reply