সমুদ্রে বেড়াতে গিয়ে ভুলেও এই কাজটি করবেন না!

সাগর সৈকতে বেড়াতে গেলে সকলেই খানিক খোলামেলা থাকতে ভালবাসেন।  সেই দিন আর নেই যে, ধড়া-চুড়ো সমেত নেমে যেতে হচ্ছে সাগরের জলে।  আমাদের দেশের সৈকতেও এই মুহূর্তে দিশি বিকিনি-সুন্দরীদের অভাব নেই।  কিন্তু এই খোলামেলা বসনই যে মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে, সে কথা এই ঘটনা না ঘটলে জানা যেত কি?

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মিরর’-এর খবরে প্রকাশ, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের মার্তিনিক আইল্যান্ডে বেড়াতে গিয়েছিলেন এক দম্পতি।  দিব্বি উপভোগ করছিলেন সেই স্বর্গীয় দ্বীপপুঞ্জের প্রাকৃতিক দৃশ্য আর সাগর-সান্নিধ্য।  কিন্তু হঠাৎই তাল কাটে ভ্রমণের।  ৫২ বছর বয়সি মহিলাই প্রথম টের পান, তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশে জ্বালা-পোড়া করছে।  পরের দিন শরীরে পিন ফোটার ব্যথা অনুভব করেন তিনি।  ওদিকে তাঁর স্বামীও খেয়াল করেন, তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশে লাল রংয়ের র‌্যাশ বেরিয়েছে।

অস্বস্তি বাড়তে থাকলে দম্পতিকে অ্যান্টিবায়োটিকস, অ্যান্টিফাঙ্গাল ওযুধ দেওয়া হয়।  কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি।  এরপরে তাঁদের এমন কিছু ওযুধ দেওয়া হয়, যা শরীরে প্রবিষ্ট পরজীবী প্রাণীদের সঙ্গে মোকাবিলায় সমর্থ।  কিন্তু পাঁচ দিনের মাথায় ভদ্রমহিলা শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।  সেই হাসপাতালের চিকিৎসকরা রীতিমতো হিমশিম খেয়ে যান এই রোগের কারণ নির্ণয় করতে গিয়ে।

বিস্তর অনুসন্ধান করে জানা যায়, ওই দম্পতি সৈকতের বালিতে স্বল্প পোশাকে বসেছিলেন।  সেখান থেকে উঠে আসার পরেই ভদ্রমহিলা তাঁর নিতম্বে জ্বালা অনুভব করেন।  এবং সেই সব অংশে লাল রংয়ের র‌্যাশ দেখা দেয়।  পরীক্ষ করে দেখা যায়, তাঁদের দেহে প্রবেশ করেছে এক ধরনের কৃমি।  এবং সেই কারণেই এই বিচিত্র অসুখ ও অস্বস্তি তাঁদের।

এই ঘটনা থেকে এটা অন্তত বুঝে নেওয়া যেতে পারে, খানিক খোলামেলা পোশাক থাকলে বালিতে বসার চেষ্টা ভুলেও নয়।  সৈকতে সব সময়েই চেষ্টা করুন কিছু না কিছু পেতে বসতে।

সূত্রঃ এবেলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *