স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আসবে বিশ্ব একাদশ!

গত বছর শ্রীলংকায় গিয়ে নিদাহাস ট্রফিতে খেলেছিল বাংলাদেশ; যে টুর্নামেন্ট আয়োজনের নেপথ্যে ছিল শ্রীলংকার স্বাধীনতার ৭০তম বার্ষিকী উদযাপন। ১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ আগামী ২০২১ সালে পূর্ণ করতে যাচ্ছে স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী। বছরটিকে স্মরণীয় করে বরণ করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও চাচ্ছে তেমনই একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে।

এ ছাড়া ২০২০ সালে যেহেতু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীও আছে, তাই ক্রিকেট আয়োজনকে বিশেষ রূপ দিতে সম্ভব হলে বিশ্ব একাদশকে আনার ভাবনা বিসিবির।

মঙ্গলবার বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজন সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী আর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে উপলক্ষ করে এখন থেকে আমরা একটা পরিকল্পনা করছি। এ নিয়ে কথাবার্তা চলছে। এমন একটা কিছু করতে চাচ্ছি, যেটা সারা পৃথিবীর যারা ক্রিকেট দেখে, তারা যেন একসঙ্গে বসে দেখতে চায়। তবে এটা খুবই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। এখনও কারও সঙ্গে আলাপ হয়নি।’

তিন বা তার বেশিসংখ্যক দেশ নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে গেলে সময় বের করা হবে জটিল কাজ। কারণ আইসিসির এফটিপিতে সবগুলো দেশেরই সারা বছরের সিডিউল হয়ে গেছে। দেশগুলোর সময় বের করা সম্ভব না হলেও বিকল্প উপায় হতে পারে বিশ্ব একাদশ এনে বিশেষ কোনো ম্যাচ বা তিন ম্যাচের সিরিজ খেলা।

বিসিবি প্রধানের ভাবনায় আছে এটিও, ‘বিশ্ব একাদশ বনাম বাংলাদেশ একাদশ… এ ধরনের কিছুই। তবে সবকিছু নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক সূচির ওপর। সব দেশকে পাওয়া খুব কঠিন। এ জন্য সব থেকে বেশি খেলোয়াড় বিভিন্ন দেশ থেকে এনে একটা প্রতিনিধিত্বমূলক ম্যাচ খেলা পাশাপাশি আইসিসি থেকে ওটার স্বীকৃতি পাওয়া। এ নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা আইসিসিকে লিখেছি।’