৭৪ রানেই অলআউট পাকিস্তান, সিরিজ জিতল নিউজিল্যান্ড

লক্ষ্যটা বিশাল ছিলো না। তারপরেও শুরুতেই খেই হরিয়ে ফেলে পাকিস্তান। মাত্র ৭৪ রানেই অলআউট। তবে ইনিংসের শুরুটা ছিলো আরও ভয়ঙ্কর।

স্কোরবোর্ডে এক রান যোগ হতেই শূন্য রানে ফেরেন ওপেনার আজহার আলী। ২ রান করা ফখর জামানকে বোল্ড করে ফেরান ট্রেন্ট বোল্ট।

শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়া পাকিস্তান এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। বাবর আজম (৮), হাফিজ (০), মালিকরা (৩) একে একে জড়ো হয়েছেন ব্যর্থতার কাতারে। ১৬ রান তুলতেই ছয় উইকেট হারানো দলের হয়ে এরপর লড়াই চালিয়ে যাবার চেষ্টা করেন অধিনায়ক শরফরাজ আহমেদ। তবে শাদাব খান (০) এবং ফাহিম আশরাফ (১০) তাকে সেভাবে সঙ্গ দিতে পারেননি।

৩২ রানে ৮ উইকেট হরিয়ে ওয়ানডেতে নিজেদের সর্বনিম্ন স্কোরের (৪৩) রেকর্ডটাকে আরও ছোট করার শঙ্কায় পাড়ে সফরকারীরা। মোহাম্মদ আমীরকে সঙ্গে নিয়ে সেটা এড়ান ঠিকই তবে আমীরের (১৪) পর রুম্মন রইসও (১৬) দ্রুতই পূর্বসূরিদের পথ ধরেন। ১৪ রানে অপরাজিত থাকলেও ১৮৩ রানের বিশাল পরাজয় আর দুর্বিসহ এক ইনিংসের স্মৃতি নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় পাক অধিনায়ককে।

মূলত কিউই বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। ৭ জন ব্যাটসম্যানই ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্ক। ৭.২ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। এছাড়া দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন কলিন মুনরো এবং ফার্গুসন।

ডানেডিনে এরআগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৫৭ রানে থামে স্বাগতিকদের ইনিংস।

ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার কলিন মনরোকে (৮) ফেরান ফাহিম আশরাফ। তবে মার্টিন গাপটিলের সঙ্গে জুটি বেধে দলকে টেনে তোলেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ৪৫ রান করে গাপটিল রানআউট হয়ে ফিরে যান। সর্বোচ্চ ৭২ রান আসে উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে। এছাড়া রস টেইলর করেন ৫২ রান। ৪২ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৯ রান নেয়া কিউইরা অলআউট হয় ২৫৭ রানে।

পাকিস্তানের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন রুম্মন রাইস এবং হাসান আলী। ২টি উইকেট তুলে নেন শাদাব খান।

এই জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করলো নিউজিল্যান্ড। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের চতুর্থ ওয়ানডেতে আগামী ১৬ জানুয়ারি মুখোমুখি হবে দু’দল।

Leave a Reply