ফিটনেস : ওজন বাড়ানোর কয়েকটি উপায়

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। স্বাস্থ্য ঠিক না থাকলেও সব কিছুই অনর্থ। অনেকে প্রচুর খাবার গ্রহণের পরও কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারে না। আর তখনই ‘নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা’র মতো পূর্বপুরুষ অর্থাৎ বংশের ওপর দোষ চাপিয়ে দেয়। অনেক সময় উচ্চ ক্যালরির খাবার খাওয়ার ফলে স্বাস্থ্য ভালো না হলেও শরীরে চর্বির আধার ঠিকই সমৃদ্ধ হচ্ছে। এতে দেখতে হালকা-পাতলা হলেও শরীরে ঠিকই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি চর্বি স্থান করে নিচ্ছে। অথচ খাবারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যায়াম হাসি ফোটাতে পারে হালকা-পাতলা শরীরের অধিকারীদের মুখে।

ক্ষুধা বাড়াতে হবে : শরীরের ওজন বাড়াতে খাওয়া প্রয়োজন। আর খাওয়ার জন্য প্রয়োজন ক্ষুধা। ক্ষুধা থাকলেই সঠিক পরিমাণে উপযুক্ত খাবার খাওয়া সম্ভব। কিন্তু ক্ষুধা তো এমনিতেই বাড়বে না, সে জন্য প্রয়োজন পরিশ্রম। এক ঘণ্টার শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম প্রয়োজনীয় ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট।

তিনবার খাওয়া : হালকা-পাতলা শরীরের লোকজন খাবারের ব্যাপারে সাধারণত দুটি ভুল করে থাকে। কিছু সময় পর পরই খাবারে ব্যস্ত থাকে। খাবারের তালিকায় বেশির ভাগ সময়ই থাকে ফাস্ট ফুডের লোভনীয় পদগুলো। কিন্তু তিনবার ভালোভাবে খাওয়াটাই সবচেয়ে ভালো। সেই সঙ্গে ফাস্ট ফুডের ওপর থেকে নজরটা সরিয়ে নেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে লক্ষ রাখতে হবে, যা খাওয়া হয় তাতে যেন যথেষ্ট পরিমাণ ক্যালরিসমৃদ্ধ হয়। আধিক্য থাকে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের।

ফাস্ট ফুড : হালকা শরীরের মানুষ খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে তেমনটা যত্নশীল নয়, বিশেষ করে ফাস্ট ফুড দেখলে তো কথাই নেই। খাবারের ওপর হামলে পড়ে। এতে বাইরে থেকে আপনার শরীর হালকা-পাতলা দেখালেও ঠিকই শরীরের ওজন বাড়ছে, তবে সঠিক স্থানে নয়।

ধূমপান ত্যাগ : ধূমপান ক্ষুধা নষ্ট করে দেয়। প্রয়োজনীয় খাবার গ্রহণের জন্য খাওয়ার আগে ধূমপান করা ভালো নয়। অবশ্য ধূমপানের অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করাই ভালো।

প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার : মাসল বা মাংসপেশি বাড়াতে খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে হবে। পরিশ্রমের পর খাবারে যে উপাদানটা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো প্রোটিন। কেননা পরিশ্রমে যে শক্তি ক্ষয় হয় তা পূরণে এটার অবদান যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এটা মাংসপেশি গঠনে বড় ভূমিকা রাখে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *