একবিংশ শতাব্দির শুরুর দিক থেকে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। তবু হার্ট এ্যাটাক, স্ট্রোক, হূদনিষ্ক্রিয়া ও কিডনি রোগের একটি মূল কারণ হিসেবে এটি চিহ্নিত হয়ে আছে। স্বাভাবিক রক্তচাপ থাকা উচিত ১২০/৮০ এর নিচে এবং অনেক লোক এর নিচে রক্তচাপকে নামাতে সক্ষম হননি। রক্তচাপের অসংখ্য ওষুধ ইতিমধ্যে উদ্ভাবিত হয়েছে। তবুও অনেক লোক রয়েছেন ঝুঁকির মধ্যে। যারা রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ তারা বলেন, উচ্চ রক্তচাপ অনেকটাই প্রতিরোধ যোগ্য।

ডা. ম্যানের ভাষায়, নিউরোজেনিক উচ্চ রক্তচাপের মূলে রয়েছে অবদমিত মানসিক বিষন্নতা। তিনি দেখেছেন এদের মধ্যে জীবনের প্রথম দিকে থাকে আঘাত, অত্যাচার বা নির্যাতনের ইতিহাস। বাহিরে তারা শান্ত ও তৃপ্ত, দেখতে লাগলেও অন্তর্দহনের জ্বালা তাদের পুড়িয়ে মারে। ডা. ম্যান তেমন একজন রোগীর চিকিত্সার কথা বলেছেন, তার ২০ বছর বয়স থেকে ছিলো উচ্চ রক্তচাপ। পারিবারিক চিকিত্সকের পরামর্শে তিনটি ওষুধে বেশ ভালো চলছিলো চিকিৎসা। ৪০ বছর বয়সে মাঝে মাঝে রক্তচাপ চেক করে দেখা গেলো, উচ্চ রক্তচাপ বেশি হয় মাঝে মাঝে খুব বেশি। ব্যবস্থাপত্রের ওষুধগুলোর মাত্রা বাড়লেও কাজ হলো না। অনেক ভেবে চিন্তে ওষুধ দিলেন ডা: ম্যান। ওষুধের সংখ্যা কমলো। ব্যবস্থাপনা ভালো হলো। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম হলো। তবে বেশিরভাগ রোগীদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর প্রয়োজন নেই। ইন্টানিস্ট বা পারিবারিক চিকিৎসকই যথেষ্ট।

lলবণ-সংবেদী উচ্চ রক্তচাপ, বয়স্ক লোক ও আফ্রিকান-আমেরিকানদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।  মূত্রবর্ধক ওষুধ এবং ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারস্ ওষুধ দিলে এদের ক্ষেত্রে বেশ কাজ হয়।

Leave a Reply