লাইফটাই শেষ হয়ে গেল: আদালতে পাপিয়া

Advertisements

যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে আদালতে রিমান্ড শুনানিতে দেখা গেল কখনও বিস্মিত, কখনও বিমর্ষ চেহারায়; কখনও তার কণ্ঠে ঝরল ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কার কথা।

সোমবার বিকালে ঢাকার হাকিম আদালতে তিন মামলার রিমান্ড শুনানির মাঝে বিচারক পরিবর্তনের ফাঁকে এক আইনজীবীকে তিনি বললেন, “আমার লাইফটাই শেষ হয়ে গেল!”

র‌্যাবের অভিযোগ, পাপিয়া ও তার স্বামী সুমন চৌধুরী নরসিংদী এলাকায় ‘অস্ত্র ও মাদকের কারবার, চাঁদাবাজি, চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণাসহ বিভিন্নভাবে মানুষের অর্থ আত্মসাত করে’ বিপুল সম্পদ গড়েছেন।

জাল নোট এবং অবৈধ অস্ত্র ও বিদেশি মদ রাখার তিন মামলায় তাদের দুজনকে মোট ১৫ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন ঢাকার দুজন মহানগর হাকিম।

এছাড়া শনিবার তাদের সঙ্গে গ্রেপ্তার তাদের দুই সহযোগী সাব্বির খন্দকার ও শেখ তায়্যিবাকে এক মামলায় ৫ দিন করে রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট,  ২ লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোট, ৩১০ ভারতীয় রুপি, ৪২০ শ্রীলঙ্কান রুপি ও সাতটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় র‌্যাব-১ কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম বিমানবন্দর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।

আর ওয়েস্টিন হোটেলে পাপিয়ার নামে ভাড়া করা ‘প্রেসিডেনশিয়াল স্যুইট’ এবং ইন্দিরা রোডে ওই দম্পতির দুটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পিস্তল, গুলি, মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, উদ্ধারের ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা হয় অন্য দুটি মামলা।

তিন মামলাতেই আসামিদের দশ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে সোমবার বিকালে ঢাকার হাকিম আদালতে হাজির করা হয়।  আওয়ামী লীগ-বিএনপি সমর্থিত কনিষ্ঠ একদল আইনজীবী তাদের পক্ষে শুনানি করতে আদালতে দাঁড়ান।