সাকিব থাকলে অধিনায়ক হিসেবে বিদায়ী ম্যাচ পূর্ণতা পেতো: মাশরাফী

Advertisements
অবশেষে টাইগারদের মাশরাফী যুগের অবসান হলো। ২০১৪ সালে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর থেকে দলের আগাগোড়ার পাল্টে দিয়েছেন তিনি। নক্ষত্রেরও যে পতন হয়, সেটিও সবারই জানা। কারণ নতুনদের সুযোগ আর নিজের জন্য বিশ্রাম সবমিলিয়ে বিদায় নিতেই হয়। একদিন আগেই মাশরাফি ঘোষণা দেন অধিনায়কত্ব ছাড়ার। ঠিক একদিন পরেই অধিনায়ক হিসেবে জীবনের শেষ ম্যাচটি খেলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। শেষ ম্যাচে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ দলের কাপ্তান মাশরাফী।  
শুক্রবার (০৬ মার্চ) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। এ ম্যাচ দিয়ে অধিনায়কত্বের ইতি টানেন মাশরাফী। তবে নেতৃত্ব দানের শেষ ম্যাচে টসে হারেন তিনি। অবশ্য টসে জিতলেও বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় জিম্বাবুয়ে। সিরিজ জয়ের খড়া কাটলেও সবচেয়ে বড় বিষয় হয় মাশরাফী বন্দনা।
মাশরাফী এত শুভাশীষের ভিড়ে মিস করেছেন একজনকে। তিনি আর কেউ নন, তিনি সাকিব আল হাসান। আইসিসি থেকে নিষেধাজ্ঞায় খেলতে পারছেন না ক্রিকেট, থাকতে পারবেন না মাঠেও। যদি আইসিসি থেকে নিষেধাজ্ঞা না থাকত হয়ত মাশরাফীর বিদায় ম্যাচে সাক্ষী হতেন সাকিব আল হাসান। এত মানুষের ভিড়ে মাশরাফী খুঁজে ফিরলেন সাকিবকেই। ম্যাচ শেষে বললেন তার জমানো কিছু কথা।
মাশরাফী বলেন, এভাবে আমার বিদায় সত্যিই আনন্দের। প্রত্যেকে যেভাবে দলের খেলে যাচ্ছে সত্যিই অসাধারণ। আমি সকলকেই ধন্যবাদ দিতে চাই।  বিশেষ করে সাকিবকে। সে যদি এখানে আজ থাকত তাহলে আমার বিদায়টা পূর্ণতা পেত।
বাংলাদেশ দলটাকে যিনি বড়ভাইয়ের মতো আগলে রেখেছিলেন তার বিদায়ে বিষাদের সুর তো বাজবেই। সেই আবেগটা কিন্তু মাশরাফী লুকাতে পারলেন না।
তিনি বলেন, এই সময়টা অনেক কঠিন। তবুও ৩-০ তে সিরিজ জয়টাও অনেক আনন্দের।