Advertisements

গর্ভবতী হয়ে পড়ায় ব্রিটিশ নৌবাহিনীর জাহাজগুলো থেকে অন্তত ৩৫ জন নারী নাবিককে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তাদের অনেকে যুদ্ধজাহাজগুলোতে কর্মরত অবস্থায় গর্ভবতী হয়েছেন কিংবা জাহাজে ওঠার পর গর্ভবতী হওয়ার কথা জানতে পেরেছেন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম স্টার ইউকে জানায়, ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ১৮টি যুদ্ধ জাহাজ থেকে এসব নারী নাবিকদের হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেয়া হয়। কোনো কোনো যুদ্ধ জাহাজ থেকে একাধিক গর্ভবতী নারী নাবিকদের তুলে নিতে হয়।

২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ব্রিটিশ যুদ্ধ জাহাজ এইএমএস ওশ্যানের ৫ জন নারী নাবিককে গর্ভবতী হয়ে পড়ায় স্থানান্তর করা হয়। তবে গর্ভবতী হয়ে পড়ার মতো খবর বিস্তারিত জানা সম্ভব না হওয়ায় ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে তা জানা যায়নি।

একটি টেলিভিশন প্রামাণ্য চলচ্চিত্রে বলা হয়েছে ২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৫ জন নারী নাবিককে মেডিকেল পরীক্ষায় গর্ভবতী হয়ে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের পেশাগত দায়িত্ব থেকে স্বাস্থ্যগত কারণেই সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই নারী নাবিকরা মন্ত্রণালয়ের বিমানে বাড়ি ফিরেছেন।

ব্রিটিশ নৌবাহিনীর আইনে জাহাজে কর্তব্যরত অবস্থায় যৌনতায় লিপ্ত হওয়া তো দূরের কথা এমনকি স্পর্শ করাও নিষেধ। যদি স্বামী-স্ত্রী নৌবাহিনীর নাবিক হিসেবে একই জাহাজে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন তবুও এ ধরনের সম্পর্ক রাখা নিষিদ্ধ। তবে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা বিভাগ বলছে বাস্তবতা হচ্ছে জাহাজে ওঠার আগেই যদি কোনো নারী নাবিক গর্ভবতী হয়ে পড়েন তা কোনো সমস্যার মধ্যে পড়ে না। তবে জাহাজে দৈহিক সম্পর্কের ফলে কোনো নারী নাবিক গর্ভবতী হয়ে পড়লে এ জন্যে দায়ী ব্যক্তিকেও জাহাজ থেকে সরিয়ে নেয়া হয়।

অন্য এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে অন্তত ৬১ জন নারী সৈনিক প্রশিক্ষণ চলাকালে গর্ভবতী হয়ে পড়েন।

By Abraham

Translate »