জাতীয়

ঈদযাত্রায় সড়কে গেছে ১৮৫ প্রাণ

Advertisements

ঈদুল আজহার ছুটিতে সারাদেশে ১৩৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৩৫৫ জন। ১০ আগস্ট থেকে ১৮ আগস্টের মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

শনিবার (২৪ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামীম আলম দীপ।সংবাদ সম্মেলনে সড়ক দুর্ঘটনার সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের ঈদুল আজহায় সড়ক দুর্ঘটনা ঈদুল ফিতরের তুলনায় বেশি। ইদুল ফিতরে দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ১২৭টি। এতে নিহত হন ১৮৪ জন এবং আহত হন ৩৩২ জন।

বিভিন্ন পত্রিকা, পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, স্বতন্ত্র অনলাইন নিউজ পোর্টাল, সংবাদ সংস্থা ও টেলিভিশন চ্যানেলের তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে সারাদেশে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের ১২০টি শাখা সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাধ্যমেও সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

নিরাপদ সড়ক চাইয়ের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বলা হয়, ঈদে উত্তর বঙ্গের সড়কে দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডে তিনটি সেতু (কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী) খুলে দেয়ার ফলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামসহ পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন জেলায় যানজট হয়নি বললেই চলে এবং সড়ক দুর্ঘটনা এ সব অঞ্চলে তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। তবে খুলনা ও যশোর অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনা কমেনি বরং বেড়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় ঈদুল ফিতরে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি থাকলেও এবার তা কমেছে। তবে বাস দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, এবার ৪০টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ২৯ জন (চালক ও আরোহী)। ঈদুল ফিতরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ৪৫ এবং নিহতের সংখ্যা ছিল ৩৮।

শামীম আলম দীপের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিআরটিএর সাবেক চেয়ারম্যান আয়ুবুর রহমান খান, সংগঠনটির উপদেষ্টা ম. হামিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আজাদ হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মিরাজুল মইন জয়, যুগ্ম মহাসচিব বেলায়েত হোসেন খান নান্টু প্রমুখ।