Advertisements

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় পাচঁটি রোহিঙ্গা শিবিরে তিনটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যার পর অপরাধ দমন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ওই ঘটনায় স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার পর থেকে কয়েকটি শিবিরে নিরাপত্তার ভয়ে এনজিওদের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল রোহিঙ্গা শিবিরগুলো ঘুরে দেখে।

এসময় মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গাদের জানমালের নিরাপত্তা ও বিভিন্ন অপরাধ দমনসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই পাচঁটি রোহিঙ্গা শিবিরে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টেকনাফের জাদিমুরা, শালবাগান, নয়াপাড়া, আলীখালী ও লেদা রোহিঙ্গা শিবির ঘুরে দেখা হয়েছে। এসব শিবিরে তিনটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের জায়গা নির্ধারণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শিগগির রোহিঙ্গা শিবিরে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হবে। এত অল্প সময়ে বিশ্বের কোন দেশ এত মানুষকে আশ্রয় দেয়নি। মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদেরকে আমরা খাবার, আশ্রয় ও চিকিৎসাসেবা দিয়েছি। যে কোনো বিনিময়ে রোহিঙ্গা শিবিরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে এবং যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যাকারিদের গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের মুখোমুখি করা হবে।

By Abraham

Translate »