Advertisements

চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচ। প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদের মতো জায়ান্ট। অথচ ইনজুরির কারণে দলে নেই কিলিয়ান এমবাপ্পে ও এদিনসন কাভানি। চ্যাম্পিয়নস লিগে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ছিলেন না নেইমার জুনিয়রও। আক্রমণভাগের দায়িত্ব তাই নিজের কাঁধে তুলে নিলেন আনহেল দি মারিয়া। এই আর্জেন্টাইন তারকার জোড়া গোল আর যোগ করা সময়ে টমাস ম্যুনিয়েরের দুর্দান্ত ফিনিশিংয়েই রিয়াল মাদ্রিদকে উড়িয়ে দিয়েছে পিএসজি।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘরের মাঠ পার্ক দেস প্রিন্সেসে রিয়ালের রক্ষণকে সাদামাটা বানিয়ে ছাড়ে পিএসজি। বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞা মাথায় নিয়ে বাইরে থাকা অধিনায়ক সার্জিও রামোসের অভাব হাড়েহাড়ে টের পেয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। তার বদলে নামা মিলিতাও মৌসুমে প্রথমবারের মতো পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। পুরো ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন ইডেন হ্যাজার্ডও। তবে জিদানের দলকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে পিএসজির খেলার ধরন। দলের তিন মূল খেলোয়াড় না থাকার অভাব টেরই পেতে দেননি টমাস টুখেলের শিষ্যরা।

ম্যাচের মাত্র ১৪তম মিনিটেই রিয়ালের রক্ষণ কাঁপিয়ে গোল করে বসেন পুরোদস্তুর উইঙ্গার বনে যাওয়া দি মারিয়া। বের্নাটের কাট-ব্যাক থেকে বল পেয়ে নিজের পুরনো ক্লাবের জালে লক্ষ্যভেদ করে স্বাগতিক দর্শকদের উদযাপনের উপলক্ষ এনে দেন তিনি। ৩৩তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করা গোলটিও আসে দি মারিয়ার পা থেকেই। এক মিনিট পরেই অবশ্য গোল করেছিলেন রিয়াল স্ট্রাইকার বেল। কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সহায়তায় গোলটি বাতিল করে দেন রেফারি।

দ্বিতীয়ার্ধে রিয়ালের রক্ষণকে আরও চেপে ধরে পিএসজি। ৫৯তম মিনিটে দারুণ দুটি সুযোগ নষ্ট করেন ইকার্দি ও দি মারিয়া। দুজনেই একা পেয়েও থিবাউ কুর্তোয়াকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হন। ৭৭তম মিনিটে বেনজেমার করা গোল অফসাইডের কারণে বাতিল না হলে ব্যবধান কমাতেও পারত রিয়াল। এরপর যোগ করা সময়ে ২ গোলে পিছিয়ে পড়া রিয়ালের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন ম্যুনিয়ের।

By Abraham

Translate »