Advertisements

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোনো নালিশ শুনতে চাই না। ছাত্রলীগের পর যুবলীগ ধরেছি। সমাজের অসংগতি এখন দূর করব। একে একে এসব ধরতে হবে। জানি কঠিন কাজ কিন্তু আমি করব।’

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস বিভাগের পক্ষ থেকে এটি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ছাত্রলীগ নেতারা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে এসব কথা বলেন তিনি। ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতাকে সরিয়ে দেওয়ার পর দায়িত্ব পাওয়া ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো আজ গণভবনে যান ছাত্রলীগের ১৮ নেতা।

ছাত্রলীগ নেতাদের সততা, আদর্শ নিয়ে সংযমের সঙ্গে চলার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের ইমেজ বাড়াতে হবে। নীতি আদর্শ নিয়ে চলতে হবে। সবার মাঝে আস্থা বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। ছাত্রদলের মতো আচরণ না করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

 

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ১৪ সেপ্টেম্বর দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভায় এ দুজনকে সরিয়ে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আল নাহিয়ান খান ও প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদের দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি। ওই একই সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের দুই নেতাকে ইঙ্গিত করে সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই দুই যুবলীগ নেতার একজন মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া গত বুধবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন।

গতকাল গণভবনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

By Abraham

Translate »