Advertisements

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় শিশু তুহিন (০৫) হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরির বাটে কলম দিয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা ছালাতুল ও সোলেমানের নাম লেখা রয়েছে।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে গাছের সঙ্গে ঝোলানো অবস্থায় শিশুটির মরদেহ দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। তখন তার পুরো শরীর রক্তাক্ত, কান ও লিঙ্গ কাটা ছিল। এছাড়া পেটে দুটি ছুরি বিদ্ধ ছিল। নিহত শিশু তুহিন ওই গ্রামের আব্দুল বাছিরের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, কেজাউরা গ্রামের সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে নিহত শিশু তুহিনের বাবা আব্দুল বাছিরের বিরোধ রয়েছে। ছালাতুল ও সোলেমান সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেনের লোক। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে এ ঘটনায় তুহিনের বাবাসহ সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়েছে পুলিশ। তারা হলেন- তুহিনের চাচা আব্দুল মছব্বির, জমশেদ মিয়া, নাসির মিয়া, জাকিরুল, তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির, তুহিনের খাইরুননেছা ও চাচাতো বোন তানিয়া।

দিরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু তাহের মোল্লা  বলেন, শিশু তুহিন হত্যার ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ ও সিআইডি। দুইজনের নাম পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তদন্ত অনেক এগিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সব কিছু বলতে পারছি না। তবে দ্রুতই এ ঘটনার কারণ জানা যাবে।

By Abraham

Translate »