জাতীয়

‘শিবির সন্দেহে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা’

Advertisements

আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার চার্জশিট দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

ব্রিফিংয়ে মনিরুল ইসলাম আরও জানান, শিবির সন্দেহে আবরারকে পেটানো হয়েছে বলে আসামিদের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে এসব তথ্য। তবে সব বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আবরার হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেল। ইতোমধ্যেই এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ১৯ জনকে। যার মধ্যে ১৫ জন এজাহারভুক্ত আসামি। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

টেরোরিজম ইউনিট প্রধান বলেন, ‘চার জন এরইমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, তাদের কথায় উঠে এসছে শিবির সন্দেহে তাকে (আবরার) ডেকে এনে মারপিট করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও তথ্য প্রযুক্তির বিশ্লেষণ এবং অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আসলে একটা সিদ্ধান্তে পৗঁছাতে হবে। শুধু শিবির সন্দেহে তাকে পিটিয়েছে না অন্য কোনো কারণ আছে তা আরও তদন্ত ছাড়া শেষে পৗঁছানো যাবে না।’

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির কাউটার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানান, আসামিদের জবানবন্দিতে পাওয়া তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই আবরার হত্যার অভিযোগপত্র দেয়া হতে পারে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে তদন্ত কাজ শেষ হবে।

এজাহারভুক্ত পলাতক ৩ আসামিকে দ্রুতই গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলেও জানান ডিএমপির এ কর্মকর্তা।

গত ৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭ ব্যাচ) ছাত্র ফাহাদকে মারধর করে হত্যা করা হয়। পরে ৭ অক্টোবর হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করলে আদালত পাঁচদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।