জানাঅজানা

মৃত্যুর পরও হাসিয়ে গেলেন!

Advertisements

‘আমি কোথায় আছি?’  স্বাভাবিক একটা প্রশ্ন। যে কেউ মনভোলা হয়ে গেলে জানতে চাইতে পারেন এমনটা! কিন্তু কফিনের ভেতর থেকে এ প্রশ্ন আসা ভয় ধরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা।

আস্বাভাবিক হলেও এমনটাই ঘটেছে।

আয়ারল্যান্ডের লিনস্টার কবরস্থানে কফিনের ভেতর থেকে আসা এমন অবিশ্বাস্য বাক্য শুনে হতবাক হয়ে গিয়েছিল ব্র্যাডলির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে আসা অতিথিরা।

তারা শুনতে পান, ‘আমি কোথায় আছি? ধূর ছাই, বের করো আমাকে। কফিনের ভেতর থেকে বলছি। প্রচণ্ড অন্ধকার এখানে। আমি কি যাজকের কণ্ঠ শুনতে পাচ্ছি? আমি শ্যা ব্র্যাডলি। আমি মরে গেছি!’

এমন বিস্ময়কর ঘটনার সাক্ষী হয়ে কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন অনেকে। ঠিক বিশ্বাস করতে পারছিলেন না কফিনের ভেতর থেকে কথা বলছেন তাদের প্রিয় ব্র্যাডলি। অথচ ৮ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মারা গেছেন তিনি। তবে কফিনের ভেতর কে কথা বলছে?

এ ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে আন্তর্জাতিক একটি সংবাদমাধ্যম।

শ্যা ব্র্যাডলি প্রচণ্ড হাসিখুশি একজন মানুষ ছিলেন। সহকর্মীদের সঙ্গে সারাক্ষণই হাসি তামাশা করতে পছন্দ করতেন তিনি। মৃত্যুর পরও যেন সে অভ্যাস ছাড়তে পারেননি ব্র্যাডলি।

ব্র্যাডলি পেশায় ছিলেন একজন সেনা কর্মকর্তা। বহুদিন থেকেই অসুস্থ ব্র্যাডলিকে চিকিৎসক বলেই দিয়েছিলেন তিনি আর বেশিদিন বাঁচবেন না। তখনই হাসিখুশি মানুষটির মাথায় আসে এমন এক চিন্তা যা চমকে দেওয়ার মতো।

নিজেই রেকর্ড করে ফেলেন তার কণ্ঠ। মেয়েকে নির্দেশ দিয়ে যান তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যেন বাজানো হয় রেকর্ডটি। বাবার কথা স্মরণ করেই অতিথিদের সামনে বাজানো হয় ব্র্যাডলির শেষ কথাগুলো।

বেঁচে থাকতে তিনি সবাইকে হাসাতেন। মৃত্যুর পরও বন্ধুদের জন্য রেখে যাওয়া তার ঠাট্টায় শোকস্তব্ধ পরিবেশে না হেসে পারেননি তার সহকর্মী ও বন্ধুরা।