বিনোদন

মৌসুমী বনাম মিশা সওদাগরের নির্বাচনী লড়াই আজ

Advertisements

আজ (২৫ অক্টোবর) আবারও অভিনয়শিল্পীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর হয়ে উঠবে বিএফডিসি (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন)। কারণ দুই বছর পর ফের অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক (২০১৯-২১) নির্বাচন।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘কাল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত শিল্পী সমিতির আর্টিস্ট স্টাডি কক্ষে ভোটগ্রহণ চলবে। আশা করছি, উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা দিনটা কাটাতে পারবো। এরমধ্যে আমাদের সকল প্রস্তুতি শেষ। অপেক্ষা শুধু ভোটারদের।’

এবারের নির্বাচনে পূর্ণ প্যানেল একটি। এটি দিয়েছেন সমিতির শেষ সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। তারা দুজনে এবারও একই পদে লড়াই করছেন। অন্যদিকে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী সদস্য পদে কয়েকজন স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছেন। এরমধ্যে সভাপতি পদে মিশা সওদাগরের বিপরীতে আছেন মৌসুমী। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের বিপরীতে আছেন ইলিয়াস কোবরা।
সহসভাপতির দুটি পদে আছেন ডিপজল, রুবেল ও নানা শাহ (স্বতন্ত্র)। সহসাধারণ সম্পাদক পদে আরমান ও সাংকোপাঞ্জা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে খালেদ আহমেদ ও মামুনুন ইমন, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে লড়বেন জাকির হোসেন ও ডন।
এদিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের ছাড়াই বিজয়ী হিসেবে এসেছে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর এবং কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদের নাম।
১১টি কার্যনির্বাহী সদস্য পদের জন্য লড়বেন ১৪ জন অভিনয়শিল্পী। তারা হলেন অঞ্জনা সুলতানা, রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস, আলীরাজ, আফজাল শরীফ, আসিফ ইকবাল, আলেকজান্ডার বো, জেসমিন, জয় চৌধুরী, নাসরিন, বাপ্পারাজ, মারুফ আকিব, রঞ্জিতা ও শামীম খান (চিকন আলী)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চনের সঙ্গে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পীরজাদা শহিদুল হারুন ও বিএইচ নিশান। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন আলম খান, সদস্য হিসেবে রয়েছেন সোহানুর রহমান সোহান ও রশিদুল আমিন হলি।
এবার চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ভোটার সংখ্যা ৪৪৯ জন।
ভোটকে কেন্দ্র করে বিএফডিসিতে আজ নিরাপত্তা দেবে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশ। জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন। আরও জানান, শিল্পীদের ভোটদান শেষে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশ হবে। নির্বাচনের ফলাফলের বিরুদ্ধে কেউ আপিল করতে চাইলে ২৭ অক্টোবরের মধ্যে যোগাযোগ করতে হবে। এর জন্য আপিল বোর্ডের কাছে ২০০০ টাকা জমা দিতে হবে। নির্বাচনী আপিল বোর্ডের আপত্তির শুনানী ও নিষ্পত্তির তারিখ ২৯ অক্টোবর।
নির্বাচনী চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে বিদায়ী পরিষদ নবনির্বাচিত পরিষদকে দায়িত্ব অর্পণ করার বাধ্য-বাধকতা রয়েছে।