Advertisements

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়ে অপমানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বরিশাল ইন্সিটিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি-আইএইচটি-এর এক শিক্ষার্থী। অসুস্থ অবস্থায় বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তবে তিনি শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

ঘটনার পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কলেজ প্রশাসন।

সিনিয়র সহপাঠীদের র‌্যাগিং নিয়ে স্ট্যাটাস দেন বরিশাল আইএইচটির ফিজিওথেরাপি অনুষদের ২য় বর্ষের এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ক্ষুদ্ধ হন ছাত্রী হোস্টেলের সিনিয়র সহপাঠীরা। একপর্যায়ে তাকে হোস্টেলের একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখে মানসিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। অপমান সহ্য করতে না পেরে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন নির্যাতিত শিক্ষার্থী।

গুরুতর অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

নির্যাতিত আমেনা বেগম বলেন, ফেসবুক পোস্টগুলোর জন্য আমি তাদের কাছে মাফ চেয়েছি। বলেছি, আপু এবারের মত ক্ষমা করে দেন। আমি রুমের সব আপুদের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। কিন্তু তারা কেউ আমার কথা শোনে নি।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচার দাবি করেন সহপাঠীরা। তারা বলেন, সে অপমান সইতে পারেনি। বড় আপুদের কথাগুলো মানসিকভাবে তাকে আঘাত করেছে। আমরা এরকম র‍্যাগিংমুক্ত ক্যাম্পাস চাই।

আইএইচটি’র উপাধ্যক্ষ ডা. শুভঙ্কর বাড়ৈকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে কলেজ প্রশাসন। পাঁচ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বরিশাল ইন্সিটিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির অধ্যক্ষ ডা. এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিবেদন দাখিলের পর দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান আইএইচটি’র অধ্যক্ষ।

By Abraham

Translate »