Advertisements

গত সপ্তাহে লন্ডনের এসেক্সে ৩৯টি মৃতদেহসহ একটি ট্রাক উদ্ধার করে দেশটির স্থানীয় পুলিশ। উল্লাস মুখর শহরটি কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায় আতঙ্কে। বন্ধ কন্টেনারে কাদের লাশ? তার এল কোথা থেকে? কেনই এই ধরনের নারকীয় পরিস্থিতিতে প্রাণ দিতে হল হতভাগ্যদের? উঠছে এমন প্রশ্নই। আর এমনই সব প্রশ্নের উত্তর খোঁজছে দেশটির স্থানীয় পুলিশ।

স্থনীয় সময় শুক্রবার এসেক্সে পুলিশ জানায়, লন্ডনের এসেক্সে ৩৯টি মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত সবাই ভিয়েতনামের নাগরিক। ভুক্তভোগীদের গত সপ্তাহে একটি শিল্প-প্রতিষ্ঠানের ট্রাকে পাওয়া গিয়েছিল এবং তাদের প্রাথমিকভাবে চীনা নাগরিক বলে মনে করা হয়েছিল।

এসেক্সে পুলিশ জানায়, এবার নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এই বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকার ভিয়েতনামের সরকারের সঙ্গে কথা বলছে।

এর আগে ভিয়েতনামের বেশ কয়েকটি পরিবার শঙ্কা প্রকাশ করেছিল যে, উদ্ধার হওয়া মৃতদেহগুলোর মধ্যে তাদের প্রিয়জনদের মরদেহ থাকতে পারে। এরপরই যুক্তরাজ্যে অবস্থিত ভিয়েতনাম দূতাবাস ও অ্যাসেক্স পুলিশ যৌথভাবে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। তবে, ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে কারো পরিচয় প্রকাশ সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা টিম স্মিথ।

স্থনীয় পুলিশ জানায়, নিহতদের মধ্যে ৩১ জন পুরুষ এবং আট জন নারীর ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। তবে তদন্ত কাজ এখনো শেষ হয়নি। কিভাবে মৃত্যু হয়েছে তার কারণ জানতে এখনো অনুসন্ধান কাজ চলছে।

এসেক্সে পুলিশের সহকারী চিফ কনস্টেবল টিম স্মিথ বলেন, তদন্তের এই সময়ে এসে মনে হচ্ছে নিহতরা সবাই ভিয়েতনামের নাগরিক। এই সমস্যা সমাধানে আমরা ভিয়েতনামের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।

সূত্র: বিবিসি।

By Abraham

Translate »