Advertisements

বাংলাদেশ জাতীয় দলের টেস্ট এবং টি-২০ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান জুয়াড়ির প্রস্তাবের কথা গোপন করায় নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। তবে একটা সময় পাকিস্তানে ম্যাচ পাতানো ছিল প্রতিদিনকার ঘটনা। পাকিস্তানের সাবেক গতি তারকা শোয়েব আখতার এমনটাই দাবি করেছেন। পাকিস্তান ক্রিকেটে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ নতুন নয়। এই অভিযোগে শাস্তিও পেয়েছেন অনেকে। এ নিয়ে শোয়েব আখতার বলেন, তার সময় সমস্যাটা প্রকট ছিল। শুধু প্রতিপক্ষ নয়, সতীর্থদের বিপক্ষেও খেলতে হতো।

এক টক শো’তে শোয়েব আখতার বলেন, ‘পাকিস্তান কখনও ম্যাচ পাতাবে না, এমনই বিশ্বাস ছিল আমার। কিন্তু আমার চারপাশে ঘিরে থাকত ফিক্সাররা। আমাকে ২১ জনের বিপক্ষেও খেলতে হতো। ওদের ১১ জন আর আমাদের ১০ জনের বিপক্ষে নামতে হতো। ম্যাচ ফিক্সার কে চেনা ছিল দুষ্কর। তখন খুব ম্যাচ ফিক্সিং হতো। মোহাম্মদ আসিফ একবার আমাকে বলেই ফেলল, কোন ম্যাচ ওরা কিভাবে ফিক্সিং করে।’

২০১১ সালে ম্যাচ পাতানোর দায়ে পাঁচ বছর নিষিদ্ধ হন পাকিস্তানের দুই পেসার মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ আসিফ। ওপেনার সালমান বাটও স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়ে নিষিদ্ধ হন। ওই ঘটনা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে শোয়েব আখতার বলেন, ‘আমির ও আসিফকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম। তাদের ফিক্সিংয়ের কথা শুনে হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। দেয়ালে ঘুঁষি মেরে বসেছিলাম। পাকিস্তানের স্মার্ট, বুদ্ধিমান এবং আদর্শ দুই পেসার নিজেদের নষ্ট করল। সামান্য কিছু অর্থের জন্য নিজেদের বিক্রি করল!’

By Abraham

Translate »