Advertisements

লড়াইটা ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের। কিন্তু ঘুরে ফিরে আসে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবের নাম। রিয়াল মাদ্রিদ আর বার্সেলোনা। আলোচনা হয়। হয় সমালোচনা। চলে হিসাব নিকাশ।

লিওনেল মেসি ষষ্ঠবারের মতো ব্যালন ডি’অরের পুরস্কার জিতেছেন সোমবার। তার পুরস্কার জেতার পরপরই আলোচনায় উঠে আসেন ব্যালন ডি’ অরে এগিয়ে কে, রিয়াল মাদ্রিদ নাকি বার্সেলোনা?

বার্সেলোনার অধিনায়ক ষষ্ঠবারের মতো শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিতে বার্সেলোনাকে দ্বিগুণ আনন্দে ভাসিয়েছেন। কেননা এ বছরের ব্যালন ডি’অর দিয়ে রিয়াল মাদ্রিদকে টপকে গেছে বার্সেলোনা। মেসির ষষ্ঠ হলেও কাতালান শিবিরের ১২তম ব্যালন ডি’অর এটি।

স্প্যানিশ লিগের আরেক জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের ব্যালন ডি’অরের সংখ্যা ১১টি। এছাড়া এসি মিলান ও জুভেন্টাসের খেলোয়াড়দের ব্যালন ডি’ অর রয়েছে সমান ৮টি করে।

১৯৬০ সালে বার্সেলোনার হয়ে এ পুরস্কার জিতেন আরেক লুইস সুয়ারেজ। এরপর ১৩ বছর তাদের ঘরে যায়নি কোনো ব্যালন ডি’অর। জোহান ক্রুফ কাতালানদের হয়ে পান দ্বিতীয় ব্যালন ডি’অর। পরপর দুই বছর তার হাতেই থাকে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট। এরপর ১৯৯৪ সালে হিস্টো স্টোইককভ এবং ১৯৯৪ সালে রিভালদো ক্যাম্প ন্যুয়ে নিয়ে আসেন ব্যালন ডি’অর। বিংশ শতাব্দীতে রোনালদিনহোর হাত ধরে ব্যালন ডি’অরের খাতা খুলে বার্সেলোনা। ২০০৫ সালে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি জেতেন ব্যালন ডি’অর। এরপর থেকে শুধুই মেসির রাজত্ব।

রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতে নেওয়া মেসি এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১২, টানা চার বছর পুরস্কারটি জিতেছিলেন। দুই বছর পর পঞ্চমবারের মতো জেতেন ২০১৫ সালে। তিন বছর পর জিতলেন আবার।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ১৯৫৭ সালে ব্যালন ডি’অর পান আলফ্রেডো দি স্টেফানো। এক বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৯ সালে তার শোকেসে আবার উঠে ব্যালন ডি’অর। এরপর রেয়মন্ড কোপা, লুইস ফিগো, ফাবিয়ো কান্নাভারো, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লুকা মড্রিচ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ব্যালন ডি’অর নিয়ে ফেরেন। সিআর সেভেন রোনালদো একাই এ পুরস্কার পেয়েছেন চারবার।

শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটে তিনটি বিচিত্র ঘটনাও আছে। ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালডো ১৯৯৭ সালে জিতেছিলেন ব্যালন ডি’অর। ওই মৌসুমে অর্ধেকটা সময় তিনি ছিলেন বার্সেলোনায়। অর্ধেকটা ইন্টার মিলানে। একই কান্ড ঘটিয়েছেন লুইস ফিগো ও কান্নাভারো। দুজন ব্যালন ডি’অর জিতেছেন এক ক্লাবের হয়ে কিন্তু মৌসুমের অর্ধেকটা কাটিয়েছেন আরেক ক্লাবে।

By Abraham

Translate »