Advertisements

ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকেই অভিনব এক নিয়ম চালু করতে চলেছে আইসিসি। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) আইসিসি থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে। আসন্ন এই সিরিজ থেকেই বোলারদের ফ্রন্ট ফুট নো বলের ক্ষেত্রে মাঠের আম্পায়াররা নন, সিদ্ধান্ত নেবেন তৃতীয় আম্পায়ার।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) হায়দ্রাবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নামছে ভারত। এই ম্যাচ থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে এই নিয়ম চালু করতে চলেছে আইসিসি।

এক বিজ্ঞপ্তিতে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলেছে, ‘পরীক্ষামূলকভাবে এই নিয়ম চালু হচ্ছে। টিভিতে প্রতিটা বলের উপরে নজর রাখবে তৃতীয় আম্পায়ার। তাদের উপরে দায়িত্ব থাকবে কোনও ফ্রন্টফুট নো বল হচ্ছে কি না তা দেখা।’

এই নো বলের নিয়ম হলো, বল ডেলিভেরির সময় কিঞ্চিত অংশ হলেও বোলারের সামনের পা পপিং ক্রিজের লাইনের ভেতরে থাকতে হবে। যদি না থাকে তা হলে সেটা নো বল বলে গণ্য হবে। টেলিভিশনে সেটাই দেখবেন তৃতীয় আম্পায়ার।

অনেক সময় বোলার বল ছোঁড়ার সময় তার সামনের পায়ের অবস্থানের ছবি দেখেও নো বল ধরা কঠিন হয়ে পড়ে। সে ক্ষেত্রে ‘বেনিফিট অব ডাউট’-এর সুবিধা বোলারই পাবেন বলে জানিয়েছে আইসিসি। আবার এমনও হতে পারে, ব্যাটসম্যান আউট হওয়ার পর তৃতীয় আম্পায়ার ধরতে পারলেন ডেলিভারিটি নো বল ছিল। মানে বোলার ‘ওভারস্টেপ’ করেছেন। তখন ব্যাটসম্যান আবারও ব্যাট করতে পারবেন।

আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যেকোনো ধরনের বেনিফিট অব ডাউট বোলারের পক্ষেই যাবে। আর নো বলটা পরে জানানো হলে মাঠের আম্পায়ার আউটের সিদ্ধান্ত বাতিল করে নো বল ডাকবেন।’

এর আগে ২০১৬ সালে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজে বোলারদের ‘ফ্রন্ট ফুট নো বল’ ধরেছিলেন টিভি আম্পায়ার। এবারের মতো সেটিও ছিল পরীক্ষামূলক পদ্ধতি।

By Abraham

Translate »