Advertisements

আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের আওয়ামী লীগে ঠাঁই দিবেন না। আওয়ামী লীগের প্রাণ হচ্ছে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। তৃণমূল নেতা-কর্মীরা দলের দুর্দিনে পাশে থেকে দলকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।

মঙ্গলবার খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে খুলনা জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, দলে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও চাঁদাবাজদের কোন স্থান হবে না। আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা দলে সঠিক দায়িত্ব পালন করলে বহিরাগতদের দলে প্রয়োজন হবে না।
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ ও আব্দুর রহমান, শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নজান সুফিয়ান, সংসদ সদস্য মির্জা আজম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন, সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময় প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান সম্মেলন সঞ্চালনা করেন।
এর আগে বেলা ১১ টায় খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে খুলনা জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য।
সেতুমন্ত্রী বলেন, আদালত খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়েছে। আদালতের মাধ্যমেই তাকে মুক্ত হতে হবে। তার মুক্তির নামে আন্দোলন করে কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সরকার কঠোর হাতে তা দমন করবে। বর্তমান সরকার সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন করে যাচ্ছে। উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে হলে আওয়ামী লীগের কোন বিকল্প নাই।
শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারীদের স্থান নেই। ওয়ান ইলেভেনসহ দলের দুর্দিনে তৃণমূলের পরীক্ষিত নেতা-কর্মীরাই দলকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। দলে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে।
সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে কাউন্সিলরদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে শেখ হারুনুর রশিদকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও এ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারীকে সাধারণ সম্পাদক এবং খুলনার মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেককে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও এমডি বাবুল রানাকে সাধারণ সম্পাদক করে আওয়ামী লীগের জেলা ও মহানগর কমিটি ঘোষণা করা হয়।

By Abraham

Translate »