Advertisements

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথি পর্যালোচনা করে প্রথম ধাপে ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

রোববার প্রকাশিত ওই তালিকায় গেজেটেড এক মুক্তিযোদ্ধার নাম পাওয়া গেছে। ওই মুক্তিযোদ্ধার নাম অ্যাডভোকেট তপন কুমার চক্রবর্তী। যার ক্রমিক নম্বর ১১২, পৃষ্ঠা নম্বর ৪১১৩। তিনি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতাও পেয়ে থাকেন।

এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সোমবার একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তার মেয়ে ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী বাসদ নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী।

এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে কথা হয় ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা একজন গেজেডেট মুক্তিযোদ্ধা। তারপরও আমার পরিবারের লোকজনকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে রাজাকারের তালিকায় নাম দেয়া হয়েছে। এর সঙ্গে বরিশালের নোংরা রাজনীতি জড়িত। কেননা এখানে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিকদলের (বাসদ) শক্ত অবস্থান রয়েছে। তবে আমাদের রাজনীতিক যে উদ্দেশ্য তা থেকে সরে আসবো না।’

মনীষা চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘এ তালিকার প্রতিবাদ করে কর্মসূচি দেয়া হবে। একই সঙ্গে আইনগত বিষয়টিও নিয়ে আমরা ভাবছি। এ ধরনের তালিকা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। কেননা আমাদের পরিবার কি তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।’

তালিকায় নামের বিষয়ে নিজের ‘রাজনীতির খেসারত’ আখ্যা দিয়েছে ফেসবুক স্ট‌্যাটাসে মনীষা চক্রবর্ত্তী লেখেন, ‘মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ কাজ করার পুরস্কার পেলাম আজ। ধন্যবাদ আওয়ামী লীগকে। সদ্য প্রকাশিত রাজাকারদের গেজেটে আমার বাবা এবং ঠাকুমার নাম প্রকাশিত হয়েছে। আমার বাবা এড. তপন কুমার চক্রবর্তী একজন গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা, ক্রমিক নং ১১২ পৃষ্ঠা ৪১১৩। তিনি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ও পেয়ে থাকেন। আজ রাজাকারের তালিকায় তিনি ৬৩ নাম্বার রাজাকার! আমার ঠাকুরদা এড সুধির কুমার চক্রবর্ত্তীকে পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী বাসা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। তিনিও ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত। তার সহধর্মিণী আমার ঠাকুমা উষা রানী চক্রবর্ত্তীকে রাজাকারের তালিকায় ৪৫ নাম্বারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

By Abraham

Translate »