Advertisements

ঢাকা প্লাটুন ও কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের ম্যাচ। তবে সেটা মেহেদী হাসান বনাম কুমিল্লা হয়ে গেল টসের পর পরই। নতুন বল হাতে নিয়ে এই অলরাউন্ডারের বেক থ্রু ও আর ব্যাট হাতে ঝড়ই ঢাকাকে এনে দিল মহাগুরুত্বপূর্ণ এক জয়। ১৬১ রানের লক্ষ্যে নেমে ১ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় পেয়েছে ঢাকা।

নতুন বল হাতে নিয়ে সৌম্য সরকার ও সাব্বির রহমানকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন অফ স্পিনার মেহেদী। ৪ ওভারের স্পেলের অন্য প্রান্তে ঝড় তুলছিলেন রাজাপক্ষে। কিন্তু ওই পরিস্থিতিতেও চার ওভারের স্পেল মাত্র ৯ রান দিয়েছেন মেহেদী। আগের ম্যাচে ঝড় তোলা ডেভিড মালানও ১৭ বলে মাত্র ৯ রান তুলতে পেরেছিলেন মেহেদীর সামনে পড়ে। মেহেদীর এই কিপটেমিই কুমিল্লাকে আটকে দিল। রাজাপক্ষের ৬৫ বলের ৯৬ রানের ইনিংসের পরও তাই কুমিল্লা মাত্র ১৬০ রান তুলতে পেরেছে ৭ উইকেট হাতে রেখেও।

১৬১ রানের লক্ষ্যে ঢাকার শুরুটা হয়েছিল বাজে। আজই বিপিএলে অভিষিক্ত অফ স্পিনার রবির বলে ক্যাচ দিয়ে শূন্য হাতে ফিরেছে এনামুল হক। এক ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ঢাকার রান মাত্র ১, এমন অবস্থায় নেমেছিলেন মেহেদী। মুজীব উর রহমানকে সাবধানে খেলে অন্যদের আক্রমণের পরিকল্পনাটা ভালোই কাজে লেগেছে তাঁর। যাজকে যেভাবে খুশি ছক্কা মেরেছেন, দুই চার ও ৬ ছক্কায় মাত্র ২২ বলেই পেয়েছেন ফিফটি। অন্যপ্রান্তে তামিম ইকবালের দৃষ্টিকটু ধীরলয়ের ব্যাটিং তাই দলের ক্ষতির কারণ হতে পারেনি।

২৯ বলে ৫৯ রান করে আল আমিনকে পুল করতে গিয়ে বিদায় নিয়েছেন মেহেদী। ৯ ওভারে ঢাকার রান তখন ৮৪। এরপরই বিপাকে পড়েছিল ঢাকা। মুহূর্তের মাঝে ১ উইকেটে ৮৪ রান থেকে ৪ উইকেতে ৮৮ রানে রূপ নিয়েছিল ঢাকা। মুজীবের পর পর দুই বলে বিদায় নিয়েছেন আসিফ আলী ও জাকের আলী। তামিমের রানের গতি এরপরও বাড়েনি। মুমিনুলকে নিয়ে ইনিংস মেরামত করতে গিয়ে আরও ছয় ওভার কাটিয়ে দিয়েছেন। সৌম্যকে ছক্কা মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ধরা পড়েছেন তামিম। ৪০ বলে ৩৪ রান করেছেন তামিম। ২৭ বলে তখনো ৩৯ রান দরকার ছিল ঢাকার। শহীদ আফ্রিদি নেমেছেন এরপরই।

১৮তম ওভারে নাটক জমে উঠেছিল। প্রথম বলেই আফ্রিদিকে এলবিডব্লু করে হ্যাটট্রিক পেয়ে গিয়েছিলেন মুজীব উর রহমান। কিন্তু রিভিউ নিয়ে সেটাকে ভুল সিদ্ধান্ত প্রমাণ করেছেন আফ্রিদি। পরে ২ ছক্কায় ১৬ বলে ২৬ রান করে ওই আফ্রিদি ম্যাচ শেষ করেছেন। ২৬ বলে ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন মুমিনুল।

By Abraham

Translate »