Advertisements

জ্বর সেরে ওঠায় ফেরার ম্যাচে ঝড় তুলতে পারেননি তামিম ইকবাল। পরের ম্যাচে সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে দেখা পেয়েছেন কাঙ্ক্ষিত ঝড়ো ইনিংসের। তার হার না মানা ৬০ রানের ইনিংসে ৯ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটে জিতেছে ঢাকা প্লাটুন।

টানা দ্বিতীয় এই জয়ের ফলে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা। ৬ ম্যাচে সংগ্রহ ৮ পয়েন্ট। ৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

চট্টগ্রামে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করে সিলেট থান্ডারের পুঁজিটা খারাপ ছিল না। ৪ উইকেটে ১৭৪ রানের সংগ্রহটা তারা দাঁড় করাতে পেরেছে জনসন চার্লসের ঝড়ো ইনিংসের কল্যাণে। শুরুর দিকেই বিদায় নিশ্চিত হতো তার। কিন্তু জীবন পাওয়ার পর সুযোগটি কাজে লাগিয়েছেন পুরোপুরি।

৫১ রানে ২ উইকেট পড়লে চার্লসের ব্যাটেই এগিয়েয়েছে সিলেটের রান চাকা। সঙ্গী ছিলেন মিঠুন। চার্লস ৪৫ বলে ৩টি চার ও ৮ ছক্কায় ৭৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ফিরে গেছেন। ততক্ষণে স্কোর ছিল তিন উইকেটে ৯৩ রান। পরের ঝড় তুলেছেন মিঠুন। ৩১ বলে ৪৯ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে স্কোর সমৃদ্ধ করেছেন তিনি। অবশ্য এক রানের জন্য পাননি হাফসেঞ্চুরি।

অধিনায়ক মোসাদ্দেক মাত্র ২ রান করে ফিরলেও মিঠুনের সঙ্গী ছিলেন শেফানে রাদারফোর্ড। তিনি ২৮ বলে ৩টি চার ও ২ ছক্কায় ৩৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এমন বড় স্কোর সামনে পেয়েও পা হড়কায়নি ঢাকা প্লাটুন। উদ্বোধনী জুটিতেই এসেছে ৫৮ রান। এনামুল ৩২ রানে দারুণ শুরু এনে দিয়ে ফিরেছেন। তারপর মূল ভিত গড়েছেন চট্টগ্রামের ছেলে তামিম ইকবাল ও মেহেদী হাসান।

তামিমের তুলনায় বেশী আগ্রাসী ছিলেন মেহেদী। ফিরে যাওয়ার আগে ২৮ বলে করেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। মেহেদী ফিরে গেলে তামিমের ব্যাটে ভর করেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় ঢাকা। সঙ্গে ছিলেন জাকের আলী। ঢাকা জয় পায় ১৮.৩ ওভারে।  জাকের ১১ বলে অপরাজিত থাকেন ২২ রানে।  ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৪৯ বলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন তামিম।

By Abraham

Translate »