জাতীয়

উত্তর ও দক্ষিণে নৌকা প্রত্যাশী ২০ প্রার্থী

Advertisements

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নৌকার প্রার্থী হতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন ২০ জন। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা আগে ফরম সংগ্রহ করেছিলে।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) ধানমন্ডির আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ফরম জমা দেন তারা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, উত্তর সিটিতে নৌকার মনোনয়নপ্রত্যাশী ১২ জন। তারা হলেন-বর্তমান মেয়র আতিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের শহীদুল্লা ওসমানী, সামাজিক সংগঠন ‘একটি পরিকল্পিত নগরী’র চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন নান্নু, ভাসানটেক থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মেজর (অব.) মোহাম্মদ ইয়াদ আলী ফকির, শহীদ পরিবারের সন্তান অধ্যাপক মোহাম্মদ জামান ভূঁইয়া, হেলেনা জাহাঙ্গীর, আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, জেরিন সুলতানা কান্তা, আদম তমিজি হক, খায়রুল মজিদ, মিসেস রেহেনা ফরহাদ আইভি ও মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী মোল্লা।

এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে নৌকার মনোনয়নপ্রত্যাশী আট জন। তারা হলেন-বর্তমান মেয়র সাঈদ খোকন, ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস, আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজিবুল্লা হিরু, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম, আওয়ামী লীগ নেতা মো. নাজমুল হক, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক মহাসচিব অধ্যাপক এম এ রশিদ, আশরাফ হোসেন সিদ্দিকী ও হাজী আবুল হাসনাত।

দলীয় সূত্র জানায়, শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় প্রার্থীদের কার্যক্রম, ইমেজ ও জনপ্রিয়তা এবং বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্ট পর্যালোচনা করে মেয়দ প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

এর আগে রবিবার(২২ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন ভবনে এক বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ি, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর। মনোনয়ন বাছাই ২ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ করা হবে ৩০ জানুয়ারি।

কেএম নূরুল হুদা বলেন, বিদ্যমান ভোটার তালিকা অনুযায়ী ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দুই সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে।

এসময় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী ও ইসির সিনিয়র সচিব মো: আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।