Advertisements

আসরের প্রথম সুপার ওভার দেখলো বিপিএল। নাটকীয় টাই-এর পর সুপার ওভারের লড়াইয়ে জয় নিয়ে টিকে থাকার সম্ভাবনা বাড়ালো কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। অপরদিকে লিগ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেলো সিলেটের। ৯ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট এখন মাত্র ২। বাকি ম্যাচগুলোতে বড় ব্যবধানে জিতলেও আর সুপার ফোরের সম্ভাবনা নেই তাদের।

সুপার ওভারে সিলেটের হয়ে ব্যাট করতে নামেন ফ্লেচার এবং রাদারফোর্ড। আর বল হাতে মুজিব উর রহমানকে পাঠান কুমিল্লা অধিনায়ক সৌম্য সরকার। প্রথম বলে বাউন্ডারি খেয়েও মাত্র ৭ রানেই সিলেটকে আটকে দেন মুজিব।

৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট হাতে নামেন অধিনায়ক সৌম্য নিজেই। তার সঙ্গে আসেন ডেভিড ওয়াইসি। তাদের রুখতে বল হাতে আসেন নাভীন উল হক। প্রথম দুই বলে ৩ রান দেয়া নাভীন তৃতীয় বলে সৌম্যকে ফিরিয়ে নতুন নাটকের জন্ম দেন। কিন্তু শেষ রোমাঞ্চের নায়ক হয়ে থাকলেন ওয়াইসি। উপল থারাঙ্গাকে স্ট্রাইকেই আসতে দিলেন না। এক বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নিলেন।

জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিলো ১৬ রান। মনির হোসেন এবং এবাদত হোসেনকে বল করতে আসেন আগের তিন ওভারে দারুণ বল করা আল আমিন হোসেন। প্রথম দুই বলে চার মেরে তৃতীয় বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট হন নাভীন উল হক। চতুর্থ বলে ২ রান এবং পঞ্চম বলে ১ রান নেন এবাদত। শেষ বলে জয়ের জন্য সমীকরণ দাঁড়ায় ৩ রানের। কিন্তু আল আমিন ওয়াইড দিয়ে কাজটা সহজ করে দেন সিলেটের। পরের বলে দুই রানের চেষ্টা করেও পারেননি মনির। ১ রান পূর্ণ হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার উপল থারাঙ্গার ৪৫ রানে ভর করে ১৪০ রান তুলতে সক্ষম হয় কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। সিলেটের বোলারা কুমিল্লাকে অল্প রানে আটকে রাখতে পারলেও ব্যাটসম্যানরা তাদের কাজটা করতে পারলো না ঠিকমতো। আর তাই দৃষ্টিকটুভাবেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেলো সিলেটের।

By Abraham

Translate »