Advertisements

আগামী তিন দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হবে। তার পরবর্তী ৫ দিনে বৃষ্টির প্রবণতা ও রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে। এরপর শৈত্যপ্রবাহ শুরু হবে। এতে বাড়বে শীতের তীব্রতা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পূবালী লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বাংলাদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বৃষ্টিসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে রাজধানীতে বাড়তে থাকে বৃষ্টি। ফলে শুক্রবার বন্ধের দিনে বিপাকে পড়েন বাইরে কাজে বের হওয়া রাজধানীবাসী। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য উঁকি দেয় রোদ।

হালকা রোদে কিছুক্ষণ মানুষ স্বস্তি পেলেও দুপুরের পর আবার আকাশ গোমড়ামুখো হতে শুরু করে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ জানান, ৩ জানুয়ারির পর থেকে দেশের তাপমাত্রা কমতে থাকবে। ৬ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। মাসের মাঝামাঝিতে জেঁকে বসতে পারে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।

মাসের শেষদিকে আবারও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওযার সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় কনকনে শীত অনুভূত হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রভাব বেশি থাকবে।

By Abraham

Translate »