Advertisements

সিলেটে পর্যটকরা প্রথমেই আসেন হজরত শাহজালালের (রহ.) মাজার এলাকায়। সেখান থেকেই অন‌্য গন্তব‌্যে যান। এ কারণে সব সময়ই মাজার এলাকায় ভিড় লেগে থাকে। মঙ্গলবার সম্পূর্ণ নতুন চেহারার দরগাহ এলাকা দেখে অনেকেই চমকে গেছেন।

এক পর্যটক বলেন, ‘দরগায় প্রবেশের সড়ক বদলে যাওয়ার দৃশ্য দেখে প্রথমে চমকে গিয়েছিলাম। বিশ্বাস হচ্ছিল না, এটি দরগাহ এলাকা। বিদ্যুতের খুঁটি নেই, নেই তারের জঞ্জালও। তবু জ্বলছে সড়ক বাতি।’

সিলেট নগরীকে জিজিটাল স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সিলেট সিটি করপোরেশন। এর অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ বোর্ডের অর্থায়নে ‘বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প, সিলেট’ নামে একটি পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে নগরের বিদ্যুৎ লাইন মাটির নিচে নেয়া হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে সাত কিলোমিটার বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন মাটির নিচে নেয়া হচ্ছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫ কোটি টাকা।

এ প্রকল্পের অধীনে হজরত শাহজালালের (রহ.) মাজারের প্রধান ফটক থেকে মাজার পর্যন্ত সড়কের বিদ্যুৎ লাইন মাটির নিচে নেয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে দুই সপ্তাহ এ কার্যক্রম পরিচালনার পর সোমবার পুরোপুরিভাবে সড়কটি বৈদ্যুতিক খাম্বামুক্ত করা হয়। এরপর বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ঝুলে থাকা তার ও বৈদ্যুতিক খুঁটিবিহীন শহর হিসেবে সিলেটের নাম উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দরগাহ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে নেই তারের জঞ্জাল। নেই বিদ্যুতের খাম্বাও। সড়কে নতুন করে পিচ ‌ঢালার কাজও চলছে। এর মাঝেই সড়কে সেলফি উৎসবে মেতেছেন পর্যটকরা। কেউ কেউ ফেসবুকে লাইভ করছেন, তুলছেন ছবি। পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনও আসছেন বিদ্যুৎ লাইন আর খাম্বাবিহীন এ সড়কের সৌন্দর্য দেখতে।

By Abraham

Translate »