Advertisements

ইতিহাস তো তাই বলে। ব্যর্থতার গ্লানি টানতে টানতে অবশেষে বিদায় নিলো আসর থেকে। মঙ্গলবার কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের সঙ্গে ছিল আসরের শেষ ম্যাচ। এর আগে ১১ ম্যাচে জয় পেয়েছিল ১টি ম্যাচে। আজ যদি ম্যাচটা জিতে যেত তাহলে অন্তত এমন বিব্রতকর রেকর্ড গড়তে হতো না সিলেট থান্ডারের।

ফ্র্যাঞ্চাইজির হাত বদল হয়, বদল হয় খেলোয়াড়েরও। তবু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শুরুর আসর থেকেই আলোর মুখ দেখেনি দলটি। নিজেদের শেষ ম্যাচে কুমিল্লার কাছে ৫ উইকেটে হেরে যায় সিলেট। এই হার দিয়ে গেল ৭ আসরের মধ্য সবচেয়ে বাজে পারফর্ম করল দলটি।  এর আগে সিলেট রয়্যালস, চিটাগং ভাইকিংস ও খুলনা টাইটানস এক আসরে ২টি করে ম্যাচ জিতে ভাগাভাগি করে লজ্জার রেকর্ডের। প্রথম আসরে ২ ম্যাচ জিতে ছিল সিলেট রয়্যালস। ২০১৫ তে চিটাগং ভাইকিংসও জিতে ২টি ম্যাচ। ষষ্ঠ আসরে খুলনা টাইটানসও জিতে দুই ম্যাচ। এতদিন দুই ম্যাচে সীমাবদ্ধ থাকলেও সিলেট থান্ডার সেসব রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেল এবারের আসরে। এমন বাজে পারফর্ম্যান্সের দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক আন্দ্রে ফ্লেচার খুবই হতাশ।  এর জন্য দুষছেন দলের কম্বিনেশনকে। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফ্লিডিং কোনও ক্ষেত্রেই ভালো কিছু করতে না পারার ফলেই এমন হতশ্রী পারফর্ম।

By Abraham

Translate »